দাদির মৃত্যু, অভিজিৎ দীপকে জানাতে পারছে না পরিবার

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান অভিজিৎ দীপকে দিল্লিতে পুলিশি হেফাজতে থাকা অবস্থায় তাঁর দাদি সাবিত্রীবাই শঙ্কর দীপকে মারা গেছেন। তবে নাতি আটক থাকায় পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর কাছে শোকের খবর পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দাদির শেষকৃত্যে অভিজিৎ অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়েও উদ্বেগে রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (১০ অক্টোবর) মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি জেলার সান্তুক পিম্পরি গ্রামে নিজের পৈতৃক বাড়িতে মারা যান সাবিত্রীবাই দীপকে। বার্ধক্য ও দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।
এদিকে, দিল্লি পুলিশ এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অভিজিৎকে তাঁর দাদির মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে। মানবিক বিবেচনায় তাঁকে দাদির শেষকৃত্যে অংশ নিতে বিশেষ বিমানে মহারাষ্ট্রে যাওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। তিনি বাড়ি ফিরে শেষকৃত্যে অংশ নেবেন, নাকি আটক অবস্থায় থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন, সে সিদ্ধান্ত তাঁর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশি সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। ওই কর্মসূচিতে যোগ দিতে শনিবার সকালে মুম্বাই থেকে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর অভিজিৎ ও তাঁর কয়েকজন সহযোগীকে আটক করে পুলিশ।
বিজ্ঞাপন
আটকের পর অভিজিৎকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ ও আইনি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ সীমিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সিজেপির নেতাকর্মী ও তাঁর পরিবার। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
অভিজিতের বাবা ভগবানরাও দীপকে বিবিসি মারাঠিকে জানান, তাঁর মা গ্রামের বাড়িতে মারা গেছেন। ছেলে পুলিশি হেফাজতে থাকায় এবং যোগাযোগের সুযোগ না থাকায় মৃত্যুসংবাদ জানানো নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। দাদির শেষকৃত্যে অংশ নিতে অভিজিৎকে প্যারোল বা মুক্তি দেওয়া হবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
অভিজিতের বাবা ভগবানরাও ও মা অনিতা দীপকে বর্তমানে মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে অবস্থান করছেন। তাঁদের বাড়ি পুলিশ ঘিরে রেখেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি ও পুলিশি বক্তব্যের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তথ্যসূত্র: সিজেপির এক্স পোস্ট ও এনডিটিভি








