মমতা আটক, দিল্লির পর এবার বিক্ষোভে উত্তাল কলকাতা

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক ও হেনস্তার অভিযোগে কলকাতার বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার (১০ অক্টোবর) কালীঘাটে মমতার বাড়ির আশপাশসহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিবাদ মিছিল ও মানববন্ধন করেন দলটির নেতাকর্মী-সমর্থকেরা।
বিজ্ঞাপন
কলকাতার হাজরা মোড়ে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি শুরু হওয়ার পরপরই পুলিশ সেটি আটকে দেয়। এ সময় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।
মিছিল থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেন, ‘পুলিশ তুমি উর্দি ছাড়ো, বিজেপির ঝান্ডা ধরো।’ এ ছাড়া তৃণমূলের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর ধারাবাহিক হামলার অভিযোগ তুলেও স্লোগান দেন তারা।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
প্রতিবাদ সমাবেশে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থাকা অবস্থায় তাকে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে হেনস্তা করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন এবং অলিখিত জরুরি অবস্থা জারির শামিল বলে মন্তব্য করেন। এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদও জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
কুণাল ঘোষ আরও অভিযোগ করেন, বিমানের ভেতর থেকেও মানুষকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। তার ভাষ্য, সরকার ভয় না পেলে এমন পদক্ষেপ নিত না।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন নিয়েও অভিযোগ করেন এই তৃণমূল নেতা। তিনি দাবি করেন, ভোটার তালিকা থেকে শুরু করে ভোট গণনা পর্যন্ত অনিয়ম হয়েছে। উপনির্বাচন অবাধ হলে বিজেপির প্রকৃত অবস্থান প্রকাশ পেত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রতিবেদনে বিজেপির কোনো বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, তাদের নেত্রীকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং দেশে গণতন্ত্র ও সংবিধানের ওপর হামলা হচ্ছে। এর প্রতিবাদে তারা রাস্তায় নেমেছেন। দিল্লি, মুম্বাই, পাঞ্জাব ও মাদ্রাজের প্রতিবাদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেই প্রতিবাদের ঢেউ বাংলাতেও ছড়িয়ে পড়বে।








