দিল্লিতে ককরোচ পার্টির কর্মসূচি ঠেকাতে কয়েক হাজার পুলিশ মোতায়েন

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির নতুন কর্মসূচি ঠেকাতে কয়েক হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উত্তোলনের ঘোষণা দিয়েছিল দলটি। তবে কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সেখানে যাতে সমর্থকেরা জড়ো হতে না পারেন, সে জন্য নিরাপত্তা জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ।
বিজ্ঞাপন
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে শুক্রবার ও শনিবার দিল্লির সেন্ট্রাল পার্ক জনসাধারণের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময়ে পার্কে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর ককরোচ জনতা পার্টির দুই সহপ্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস দিল্লির যন্তরমন্তরে পতাকা নিয়ে গেলে তাঁদের আটক করে পুলিশ। পরে তাঁদের পুলিশি রিমান্ডে নেওয়া হয়। এই গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ বৃহস্পতিবার নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। শুক্রবার সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পরিকল্পনা ছিল তাঁর।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
কর্মসূচি ঠেকাতে অভিজিৎ দীপের দিল্লির বাসায়ও যায় পুলিশ। সেখানে তাঁকে জানানো হয়, অনুমতি ছাড়া দিল্লিতে কোনো জনসমাবেশ করা যাবে না। এ সময় অভিজিৎ প্রশ্ন তোলেন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা কি অপরাধ? জবাবে পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পতাকা উত্তোলন অবৈধ নয়, তবে এ ধরনের কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া সমাবেশ করলে তা আইনবিরুদ্ধ হতে পারে।
বিজ্ঞাপন
ককরোচ জনতা পার্টির কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লিতে পুলিশের এমন তৎপরতা নতুন করে রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকারসংক্রান্ত বিতর্ক সামনে এনেছে। দলটির কর্মসূচি ঠেকাতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন এবং জনসাধারণের জন্য পার্ক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
এর আগে গত ১০ অক্টোবরও দিল্লির যন্তরমন্তরে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন ভারতের তরুণেরা। তবে ওই দিন ট্রেন, মেট্রোরেলসহ বিভিন্ন পরিবহনব্যবস্থা বন্ধ রাখা এবং রাজধানীতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের কারণে তাঁদের সেখানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা, এনডিটিভি








