দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) ‘দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ২০২৫’-এ বিশ্বের দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান এক ধাপ পিছিয়ে ১৩তম হয়েছে। গত বছর বাংলাদেশ এই তালিকায় ১৪তম অবস্থানে ছিল।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. মো. ইফতেখারুজ্জামান এই তথ্য জানিয়েছেন।
২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্বের ১৮২টি দেশ ও অঞ্চলকে নিয়ে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সিপিআই সূচকে দুর্নীতির মাত্রা ০ থেকে ১০০ স্কেলে পরিমাপ করা হয়, যেখানে ‘০’ সর্বাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত এবং ‘১০০’ সবচেয়ে সুশাসিত বা কম দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে বিবেচিত।
বিজ্ঞাপন
২০২৪ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪তম এবং ২০২৩ সালে ১০তম। ক্রমবর্ধমান অবস্থানই নির্দেশ করছে যে দেশে দুর্নীতির মাত্রা কমেনি, বরং কিছু ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। যদিও স্কোর বা অবস্থান সম্পূর্ণভাবে বাস্তব চিত্র প্রতিফলন করে না, তবুও এটি সুশাসনের ঘাটতির প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
টিআইবি জানায়, বাংলাদেশের এক পয়েন্ট স্কোর বৃদ্ধির পেছনে জুলাই মাসের অভ্যুত্থানের পর সূচিত গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক সুশাসনের সম্ভাবনার প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তবে রাষ্ট্রসংস্কার প্রক্রিয়ার পরবর্তী বাস্তবতার তথ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
বিজ্ঞাপন
কোনো দেশই পুরোপুরি শূন্য-দূর্নীতিমুক্ত নয়। বিশ্বের ৮০ শতাংশ মানুষ বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশে বসবাস করছে। বৈশ্বিকভাবে দুর্নীতির মাত্রা বাড়ছে, এমনকি যেসব দেশ গণতন্ত্রকে মূল্যায়ন করে তাদের মধ্যেও দুর্নীতি বেড়ে চলেছে। তাই রাষ্ট্রসংস্কার প্রক্রিয়ায় যথাযথ অগ্রগতি না থাকায় বাংলাদেশের স্কোর ও অবস্থান খুব একটা ইতিবাচকভাবে পরিবর্তিত হয়নি।








