Logo

ইশরাকের সেই জায়গায় এবার মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৭:১২
ইশরাকের সেই জায়গায় এবার মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ঘুন্টিঘর রেলস্টেশন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে অন্তত ১৪ জনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও এসআরবি-১০। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের সংবাদ সম্মেলনের পরপরই এলাকাটিতে অভিযান চালানো হয়।

বিজ্ঞাপন

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো-দক্ষিণের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ঘুন্টিঘর রেলস্টেশন, মুন্সিরটেকসহ আশপাশের মাদকপ্রবণ এলাকাগুলোতে তল্লাশি চালানো হয়।

এর আগে গত শনিবার গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে নিজের অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় আলোচনায় আসেন ইশরাক হোসেন। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে সোমবার দুপুরে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

পদত্যাগের আগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদকবিরোধী কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা করেন তিনি। এর পরপরই ঘুন্টিঘর এলাকায় অভিযান শুরু করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ঘুন্টিঘর রেলস্টেশন এলাকা দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচা ও সেবনের স্থান হিসেবে পরিচিত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেখানে নিয়মিত অভিযান চালালেও অভিযান শেষ হওয়ার পর আবারও মাদকসেবী ও কারবারিদের আনাগোনা দেখা যায়।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক পরিদর্শককে গুলি করার ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে এলাকাটিতে একাধিক অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তারপরও মাদক কেনাবেচা পুরোপুরি বন্ধ না হওয়ায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ আসছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সোমবারের অভিযানে অংশ নেওয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, ঘুন্টিঘর রেলস্টেশন ও মুন্সিরটেকসহ মাদকপ্রবণ হিসেবে চিহ্নিত বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অভিযানে মামলা করার পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতও পরিচালিত হয়।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

ওই কর্মকর্তা বলেন, এসব এলাকায় মাদকসেবী ও কারবারিদের অনেকে ভাসমান। তারা সাময়িকভাবে সেখানে এসে মাদক কেনাবেচা বা সেবন করে আবার অন্যত্র চলে যান। অভিযানের সময় যাদের পাওয়া যায়, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চলে যাওয়ার পর আবারও অনেকে এলাকায় ফিরে আসেন।

তিনি আরও জানান, রেলস্টেশনসংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা যায়। সীমিত জনবল দিয়ে একসঙ্গে অনেক এলাকায় নজরদারি চালাতে হয়। ফলে এক জায়গায় অভিযান চালিয়ে অন্য এলাকায় দায়িত্ব পালনে গেলে আগের এলাকায় আবার মাদকসেবী ও কারবারিদের উপস্থিতি বাড়তে পারে।

বিজ্ঞাপন

ঘুন্টিঘর এলাকায় স্থায়ী নজরদারি নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত জনবল না থাকাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন ওই কর্মকর্তা।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD