‘ছাত্রদলে কোনো ছাত্র নেই’ মন্তব্যের জবাব দিলেন নাছির

‘ছাত্রদলে কোনো ছাত্র নেই’—আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ছাত্রদলের বর্তমান সাংগঠনিক কার্যক্রম ও নেতাকর্মীদের শিক্ষার্থী পরিচয় তুলে ধরে সালমান মুক্তাদিরের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন।
নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, “জনাব সালমান মুক্তাদিরের একটি বক্তব্য আমার গোচরীভূত হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘ছাত্রদলে কোনো ছাত্র নেই।’ তার এ মন্তব্য থেকে আমার মনে হয়েছে, দেশের ছাত্ররাজনীতির বর্তমান বাস্তবতা সম্পর্কে হয়তো তার পূর্ণাঙ্গ ধারণা নেই।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনামলে তরুণ প্রজন্মের একটি অংশের মধ্যে রাজনীতিবিমুখতার যে প্রবণতা তৈরি হয়েছিল, সেটি থেকে এমন ধারণার জন্ম হয়ে থাকতে পারে। তবে তার দাবি, বর্তমানে দেশের দুই হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম রয়েছে এবং এসব প্রতিষ্ঠানে সংগঠনটির অধিকাংশ নেতাকর্মী নিয়মিত শিক্ষার্থী।
নাছির উদ্দীন নাছিরের ভাষ্য, গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদলের নিয়মিত শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার দাবি, অনেক নেতাকর্মীকে ক্লাসরুম ও পরীক্ষার হল থেকে আটক করে নির্যাতন ও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এমনকি কারাগারে থেকেও ছাত্রদলের অনেক নেতাকর্মী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ও রাজনৈতিক অধিকার রক্ষায় এসব শিক্ষার্থীর ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস অস্বীকার করার সুযোগ নেই। সর্বশেষ জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও ওয়াসিম, আকরামসহ ছাত্রদলের অনেক নিয়মিত শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
নাছিরের মতে, এসব আত্মত্যাগ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরে। এ প্রসঙ্গে সালমান মুক্তাদিরকে বাংলাদেশের যেকোনো কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ছাত্রদলের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার আহ্বান জানান তিনি।
নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, “তাই জনাব সালমান মুক্তাদিরের প্রতি আমার আন্তরিক আমন্ত্রণ—আপনি আপনার পছন্দমতো বাংলাদেশের যে কোনো কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসুন। আমাদের নিয়মিত শিক্ষার্থীরা আপনাকে স্বাগত জানাবে। তাদের সঙ্গে কথা বলুন, খোঁজ নিন, বাস্তবতা নিজ চোখে দেখুন। আশা করি তখন আপনার ভুল ধারণার অবসান হবে এবং আপনি উপলব্ধি করবেন—ছাত্রদলে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সংখ্যাই সিংহভাগ।”








