আসছে হাড়কাঁপানো শীত, শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে থাকবে ঘন কুয়াশা

নতুন বছরের শুরুতেই দেশে শীতের প্রকোপ বাড়ার আভাস মিলেছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শিগগিরই দেশজুড়ে কুয়াশা ঘনীভূত হবে এবং কিছু অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
বিজ্ঞাপন
কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ শনিবার (৩ জানুয়ারি) কৃত্রিম উপগ্রহের সর্বশেষ চিত্র বিশ্লেষণ করে জানান, উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে আগত কুয়াশার একটি বিস্তৃত বলয় ইতোমধ্যে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ইতোমধ্যেই এর প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৃত্রিম উপগ্রহের তথ্য অনুযায়ী, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা গেছে। বিশেষ করে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের সব জেলা ছাড়াও ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় কুয়াশা ধরা পড়েছে।
বিজ্ঞাপন
গবেষক পলাশের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যার পর ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাগুলোতে খুব ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া মেঘনা, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর ওপর ঘন কুয়াশা থাকার কারণে নৌযান চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের কুয়াশা তুলনামূলকভাবে কম হলেও হালকা থেকে মাঝারি হতে পারে।
বিজ্ঞাপন
বিশেষজ্ঞদের মতে, শনিবার সন্ধ্যা থেকে কুয়াশার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা দ্রুত হ্রাস পেতে পারে। রবিবার (৪ জানুয়ারি) থেকে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে, যা শৈত্যপ্রবাহের সূচনা ঘটাবে।
উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে আগত কুয়াশার বলয় রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ওপর দিয়ে প্রবেশ করায় এসব অঞ্চলে শীতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জরুরি সতর্কতা ও বাড়ি-বাড়ি প্রস্তুতির নির্দেশনা দিয়েছেন, যাতে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব সীমিত রাখা যায়।








