লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে লালমনিরহাটের তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কায় নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে।
বিজ্ঞাপন
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সন্ধ্যা ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ৫২ দশমিক ২২ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে। গত তিন ঘণ্টায় পানি ১৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে উজানের ভারতের দোমুহুনি ও গজলডোবা পয়েন্টে পানি কমতে শুরু করেছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাত ১০টা পর্যন্ত পানি আরও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে স্থিতিশীল থাকতে পারে, এরপর মধ্যরাতের পর থেকে ধীরে ধীরে কমে আবার বিপদসীমার নিচে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পানি বাড়ায় লালমনিরহাট জেলার ৫ উপজেলায় তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের ফসলি জমি, বসতবাড়ির আঙিনা এবং কাঁচা সড়কে পানি উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, পানি আরও বাড়লে ঘরবাড়ি, আমন মৌসুমের প্রস্তুতি, বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত ,বাদাম ও পাট এখনো কিছু অংশ সংগ্রহ করা হয় নি এবং গবাদিপশু ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষতি হতে পারে। অনেকেই ইতোমধ্যে গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় মালামাল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
বিজ্ঞাপন
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি তিস্তা তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এছাড়াও প্রতিটি উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা ২২০ মেট্রিক টন চাল ও ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা ত্রাণ কার্য পরিচালনা করবেন।










