Logo

কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে গেল ইউরেনিয়াম

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
পাবনা
৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৭
কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে গেল ইউরেনিয়াম
ছবি: সংগৃহীত

পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইউরেনিয়ামের নতুন চালান প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে। প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিং এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য আনা এই পারমাণবিক জ্বালানি শনিবার (৩ অক্টোবর) কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রবেশ করে।

বিজ্ঞাপন

দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ইউরেনিয়াম বহনকারী বহরটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প এলাকায় পৌঁছায়। বহরের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে বিশেষ রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

এর আগে শুক্রবার রাতে রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম বহনকারী বিশেষ কার্গো বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরদিন শনিবার সকালে তিনটি বিশেষ লরিতে করে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ইউরেনিয়ামের চালান ঢাকার উদ্দেশে রূপপুরের পথে রওনা হয়।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইউরেনিয়ামের এই চালানটি গত ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে ইউরেনিয়াম বহনকারী কার্গো উড়োজাহাজকে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় নির্ধারিত সময়ে চালানটি দেশে আনা সম্ভব হয়নি।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য এর আগে ২০২৩ সালে পারমাণবিক জ্বালানি বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। চলতি বছরের মে মাসে সেই জ্বালানি পারমাণবিক চুল্লিতে স্থাপন করা হয়। শিগগিরই প্রথম ইউনিটের উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ইউনিট রয়েছে। প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। ফলে দুটি ইউনিট থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকবে।

বিজ্ঞাপন

২০১৩ সালে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ ব্যয় ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকার বেশি ধরা হয়েছে।

জেবি/আরএক্স/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD