আনসারের তৎপরতায় বিমানবন্দরে হারানো লাগেজ ফিরে পেলেন ২ যাত্রী

বিদেশযাত্রার ঠিক আগে হারিয়ে যায় লাগেজ। ফ্লাইটের সময় ঘনিয়ে আসায় দুশ্চিন্তায় পড়ে যান দুবাইগামী যাত্রী বিশ্বনাথ শীল। তাঁর উদ্বেগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত তৎপর হন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগে শেষ পর্যন্ত উদ্ধার করা হয় হারানো লাগেজ। এতে স্বস্তি ফিরে পান ওই যাত্রীসহ আরেকজন যাত্রী।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-২-এর হেভি লাগেজ এলাকার ৬ নম্বর গেটের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
দুবাইগামী যাত্রী বিশ্বনাথ শীল নিজের লাগেজ ও ব্যাগসহ ট্রলিটির সন্ধান না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও লাগেজের সন্ধান না পেয়ে একপর্যায়ে তিনি শিফটের দায়িত্বে থাকা থানা প্রশিক্ষক জায়েদ হোসেনকে বিষয়টি জানান।
যাত্রীর উদ্বেগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে জায়েদ হোসেন সংশ্লিষ্ট এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত এপিসি মো. নিজাম উদ্দিনকে দ্রুত লাগেজ উদ্ধারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এ জন্য এভসেক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করতেও বলা হয়।
বিজ্ঞাপন
যাত্রীর ফ্লাইটের সময় সীমিত থাকায় দ্রুত তৎপরতা শুরু করেন মো. নিজাম উদ্দিন। তিনি এভসেক-২০-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে হারানো লাগেজ উদ্ধারের উদ্যোগ নেন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে লাগেজের সন্ধান না পাওয়ায় এভসেক-২০-এর সহযোগিতায় সংশ্লিষ্ট এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, রিয়াদগামী অপর যাত্রী আনিছুর রহমান ভুলবশত নিজের লাগেজ রেখে বিশ্বনাথ শীলের লাগেজসহ ট্রলিটি নিয়ে চলে গেছেন।
পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বিত উদ্যোগে দুই যাত্রীর লাগেজ যাচাই করে প্রকৃত মালিকদের শনাক্ত করা হয়। থানা প্রশিক্ষক জায়েদ হোসেন, এপিসি মো. নিজাম উদ্দিন ও এভসেক কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে লাগেজ দুটি নিজ নিজ মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বিজ্ঞাপন








