রামিসা হত্যাকাণ্ড: ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য শেষ

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। বাকি সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ দুপুর দেড়টার পর পুনরায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়। মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দেন ভুক্তভোগী শিশুর বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা।
এরপর পর্যায়ক্রমে সাক্ষ্য দেন ভুক্তভোগীর মা পারভীন আক্তার, বড় বোন, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, চতুর্থ তলার বাসিন্দা মনির হোসেন, প্রতিবেশী জাকিরুল ইসলাম রাজু, দ্বিতীয় তলার বাসিন্দা শেখ আবু সামা, ফুপা মনিরুজ্জামান শাহীন এবং কনস্টেবল রোমা আক্তার।
বিজ্ঞাপন
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মূসা কলিমউল্লাহ তাদের জেরা করেন।
পরে আদালত কার্যক্রম দুপুর দেড়টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেন। আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অবশিষ্ট সাক্ষীরাও আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। সময় অনুকূলে থাকলে মঙ্গলবারই সব সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হতে পারে।
এর আগে সকাল পৌনে ৯টার দিকে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। শুনানির আগে তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় এবং পরে এজলাসে হাজির করা হয়।
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, সোমবার আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই দিনে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।








