বাড়ির নিরাপত্তা রাখতে জেনে নিন কার্যকরী উপায়

বাড়ি ফাঁকা থাকলে বা অরক্ষিত মনে হলে চোর-ডাকাতদের টার্গেট হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
বিজ্ঞাপন
বাড়ি ফাঁকা থাকলে বা অরক্ষিত মনে হলে চোর-ডাকাতদের টার্গেট হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। সহজ কিছু অভ্যাস পরিবর্তন থেকে শুরু করে স্মার্ট টেকনোলজি ব্যবহার, এসব পদক্ষেপ নিলে চোরের চোখে আপনার বাড়ি অনেক বেশি সুরক্ষিত মনে হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু সাধারণ পদক্ষেপ নিলেই বাড়িকে অনেক বেশি সুরক্ষিত করা সম্ভব।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিশেষজ্ঞদের মতে, চোরেরা সাধারণত সুযোগ খোঁজে। তাই আপনার বাড়ি প্রতিবেশীর তুলনায় সুরক্ষিত হলে তারা অন্যত্র টার্গেট করতে বাধ্য হয়। বাইরের আলো জ্বালানো, সিসিটিভি বা ফ্লাডলাইট ব্যবহার, এমনকি শুধু নিরাপত্তা সাইনবোর্ড লাগানোও হতে পারে কার্যকর প্রতিরোধ।
তাদের পরামর্শ অনুযায়ী, শেড বা বাগানের সরঞ্জাম নিরাপদে রাখুন, দরজার তালা উন্নত মানের করুন, গাছপালা ছেঁটে খোলা জায়গা রাখুন, আর প্রবেশপথে কাঁটাযুক্ত গাছ লাগান। পাশাপাশি স্মার্ট ডোরবেল, ক্যামেরা ও সেন্সর ব্যবহার করলে ঘরে না থেকেও যেকোনো অস্বাভাবিকতা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
অ্যালার্ম সিস্টেমকেও বিশেষজ্ঞরা গুরুত্ব দিয়েছেন। বর্তমানে সহজে স্থাপনযোগ্য ব্যাটারি-চালিত অ্যালার্ম পাওয়া যায়, যা চোরদের ভয় দেখাতে সক্ষম। তবে নকল অ্যালার্ম বক্স অভিজ্ঞ চোর সহজেই শনাক্ত করতে পারে বলে অনেকে তা নিরুৎসাহিত করেছেন।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বাইরে গেলে বাড়িকে যেন খালি মনে না হয়। এজন্য টিভি সিমুলেটর, স্মার্ট লাইট, কিংবা প্রতিবেশীর সাহায্যে চিঠি ও ডাস্টবিন ম্যানেজ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ছুটিতে যাওয়ার তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার না করার ওপরও জোর দিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: অধিকাংশ রোগের প্রাকৃতিক চিকিৎসক পেঁপে
বিজ্ঞাপন
বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, কুকুর রাখা বা অন্তত “কুকুর আছে” লেখা সাইনবোর্ডও অনেক সময় কার্যকর প্রতিরোধক হয়ে ওঠে। তবে শুধু সাইন ব্যবহার করলে অ্যালার্ম সিস্টেম না থাকার ধারণা দিতে পারে, তাই সেটি বিবেচনা করে ব্যবহার করতে হবে।
সবচেয়ে জরুরি পরামর্শ হলো, সবসময় দরজা-জানালা বন্ধ রাখুন এবং কোনো অচেনা অনুপ্রবেশ ঘটলে সরাসরি পুলিশের সাহায্য নিন, নিজে থেকে ঝুঁকি নেবেন না।
বিজ্ঞাপন
এএস








