ঈদের পরও বাজারে মুরগির দাম চড়া, গরু-খাসি স্থিতিশীল

ঈদের পর বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা কমলেও অন্যান্য মুরগির দাম এখনো চড়া রয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সোনালী, লেয়ার, পাকিস্তানি ও দেশি মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বর্তমানে লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা, সোনালী ৩৬০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ৩৯০ টাকা এবং দেশি মুরগি আকারভেদে ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, ব্রয়লারের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে, তবে অন্য মুরগির সরবরাহ কম থাকায় দাম বেশি রয়েছে।
আরও পড়ুন: আজকের মুদ্রাবাজার: ২৫ মার্চ ২০২৬
মাংসের বাজারে গরুর মাংস মানভেদে ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস প্রায় ১ হাজার টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এসব পণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে, মাছের বাজারে সরবরাহ কিছুটা কম থাকলেও দাম স্থিতিশীল রয়েছে। রুই ৩৫০–৪২০ টাকা, কাতলা ৩২০–৩৮০ টাকা, তেলাপিয়া প্রায় ২০০–২৮০ টাকা এবং পাঙ্গাস ১৮০–২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিং-মাগুর ৫৫০–৭৫০ টাকা এবং বড় মাছ ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ছোট মাছের মধ্যে চিংড়ি ৩০০–৩৫০ টাকা, কাঁচকি ৪৫০–৫০০ টাকা, মলা ৩০০–৩৫০ টাকা এবং পাবদা ৩০০–৬০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে চাল, আটা, পেঁয়াজসহ কয়েকটি নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা কমেছে। মোটা চাল ৫০–৫৫ টাকা এবং প্যাকেট আটা ৫০–৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দামও কমেছে, পাশাপাশি কাঁচামরিচের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তবে সরু চাল ও মাঝারি মানের চালের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ডালের বাজারে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে এবং ভোজ্যতেলের দাম গত সপ্তাহে নতুন করে বাড়েনি।








