ঈদের পরও কমেনি নিত্যপণ্যের দাম, বাজারে অস্থিরতা

ঈদের ছুটি শেষ হলেও কমেনি নিত্যপণ্যের দামের চাপ। ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি কম থাকলেও বাজারে দামের উত্তাপ রয়ে গেছে। বিশেষ করে মুরগি ও গরুর মাংসের উচ্চমূল্য ভোগান্তি বাড়িয়েছে।
বিজ্ঞাপন
রাজধানী ঢাকা এখনো তুলনামূলক ফাঁকা, যার প্রভাব পড়েছে বাজারে। তবে চাহিদা কমলেও বেশিরভাগ পণ্যের দাম তেমন কমেনি। বরং ঈদের সময় থেকেই বাড়তে থাকা মুরগির দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
বর্তমানে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৪০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির দামও বেড়ে প্রায় ২৫০ টাকায় পৌঁছেছে। দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে। গরুর মাংসের দামও কমেনি, প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৮২০ টাকায়।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে। ঈদের আগের তুলনায় বেশ কয়েকটি সবজির দাম ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। আগে ১৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া বেগুন এখন ৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। শসা ৫০ টাকা এবং লেবুর হালি ৫০ টাকায় নেমে এসেছে। কাঁচামরিচও ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।
আলু ও পেঁয়াজের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও রসুনের দাম কিছুটা কমেছে। ঈদের আগে প্রতি কেজি ২৪০ টাকায় বিক্রি হওয়া রসুন এখন ২০০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে। তবে অন্যান্য মসলাজাতীয় পণ্যের দাম এখনও আগের মতোই রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ঈদের ছুটিতে অনেক মুরগির দোকান বন্ধ থাকলেও দাম কমেনি। ফলে কম চাহিদার বাজারেও দামের চাপ থেকে যাচ্ছে।
এদিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ইঙ্গিত দিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের প্রভাবে দেশে জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে। ফলে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ কাটেনি।








