Logo

কাঁচাবাজারে স্বস্তি : লেবু ছাড়া কমেছে প্রায় সব সবজির দাম

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ মার্চ, ২০২৬, ১৩:০৪
কাঁচাবাজারে স্বস্তি : লেবু ছাড়া কমেছে প্রায় সব সবজির দাম
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ছুটির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর কাঁচাবাজারে। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম হওয়ায় বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। রমজান মাসের তুলনায় এখন অনেক সবজি কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে লেবুর দাম আগের মতোই রয়েছে, মানভেদে প্রতি হালি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের আগে কেনা পণ্য দিয়েই এখন দোকান চলছে। নতুন করে সরবরাহ কম থাকলেও ক্রেতা কম হওয়ায় বিক্রেতাদের অনেক ক্ষেত্রে কম দামে সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে। বিশেষ করে সালাদের জন্য ব্যবহৃত শসা ও টমেটো আগের তুলনায় কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি এবং টমেটো ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের দামও কমে ১২০ টাকার নিচে নেমেছে।

দেশি শিম কেজিপ্রতি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুনের দাম ১০০ টাকা থেকে কমে ৮০ টাকায় এসেছে। রমজান মাসজুড়ে শতকের ঘরে থাকা পটল, করলা ও বরবটির দাম কমে ৬০ থেকে ৭০ টাকায় নেমেছে।

বিজ্ঞাপন

মসলা পণ্যের মধ্যে আমদানি করা রসুন কেজিপ্রতি ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং আদার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮০ টাকা কেজিতে। অন্যদিকে পেঁয়াজের দাম কমে এসেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। রমজানের শুরুতে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি থাকা পেঁয়াজ এখন ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলুর দামও কমে ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে।

সবজির মধ্যে গাজরের দাম কমে ৫০ টাকায় নেমেছে, যা গত সপ্তাহেও ৮০ টাকা ছিল। বিভিন্ন ধরনের শাক ২০ টাকা আঁটিতে বিক্রি হচ্ছে। নতুন সবজির মধ্যে সজনে ১২০ টাকা কেজি এবং কচুর লতি ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। ঢেঁড়শ ৮০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৭০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচকলা হালি ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়া ধুন্দল ও ঝিঙ্গার দাম অপরিবর্তিত থেকে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। সবজির মধ্যে সবচেয়ে কম দামে মিলছে কাঁচা পেঁপে, যা ২৫ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। চাল কুমড়া ৬০ টাকা পিস এবং লাউ ৫০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের বাঁধাকপি ও ফুলকপি ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

বিক্রেতাদের মতে, বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়লেও ক্রেতা কম থাকায় দাম কমছে। তবে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়া যেমন ভোক্তাদের জন্য সমস্যা তৈরি করে, তেমনি দ্রুত দাম কমে যাওয়া কৃষকদের জন্যও ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই বাজারে স্থিতিশীল ও ন্যায্যমূল্য থাকা প্রয়োজন।

সবজি বিক্রেতারা জানান, রমজানের শুরুতে চাহিদা বেশি থাকায় দাম বেড়ে যায়, কিন্তু মাসের শেষ দিকে এসে চাহিদা কমে যাওয়ায় দাম কমে। এবার বিশেষ করে পেঁয়াজ, টমেটো ও আলুর দাম তুলনামূলক বেশি কমেছে। পাশাপাশি কাঁচামরিচ, শসা ও বেগুনের দামেও কিছুটা স্বস্তি এসেছে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD