ইলেকট্রিক স্কুল বাস আমদানিতে শুল্ক ছাড় দিচ্ছে সরকার

দেশের জ্বালানি ব্যয় কমানো এবং শিক্ষা খাতের পরিবহন ব্যবস্থাকে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে স্কুল শিক্ষার্থীদের পরিবহনে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক বাস আমদানিতে শুল্ক সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে একটি স্ট্যাটুটরি রেগুলেটরি অর্ডার (এসআরও) জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর কার্যালয়ে পরিবহন খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান।
আরও পড়ুন: আজকের মুদ্রার দর : ৭ এপ্রিল ২০২৬
সভায় এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, দেশের গণপরিবহন ব্যবস্থাকে ধীরে ধীরে জ্বালানিনির্ভরতা থেকে বের করে এনে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির দিকে নিয়ে যেতে সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম পর্যায়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক বাস আমদানিতে শুল্ক শূন্যে নামানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, পরিবহন খাতে জ্বালানির ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্কুল বাস খাতে এই সুবিধা চালু হলে ভবিষ্যতে তা অন্যান্য গণপরিবহনেও সম্প্রসারণ করা হতে পারে।
আবদুর রহমান খান জানান, আসন্ন জাতীয় বাজেট ঘোষণার আগেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় এসআরও খুব দ্রুত জারি করা হবে, যাতে সংশ্লিষ্টরা দ্রুত এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, আগামী বাজেটে বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি) খাতকে উৎসাহিত করতে আরও কিছু নীতিগত পরিবর্তন আনা হতে পারে। তবে স্কুল বাস আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের বিষয়টি বাজেট পর্যন্ত অপেক্ষা না করে দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
এনবিআরের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশে ধাপে ধাপে বৈদ্যুতিক গণপরিবহন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন জ্বালানি আমদানির চাপ কমবে, অন্যদিকে পরিবেশ দূষণ কমিয়ে একটি টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।








