বাংলাদেশে নীরবে বাড়ছে এইচআইভি

ভাইরাসটি চোখে দেখা যায় না। অনেকের শরীরে বছরের পর বছর কোনো লক্ষণও দেখা দিতে পারে না। অথচ নীরবে এটি মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে যায়। সময়মতো শনাক্ত না হলে এবং চিকিৎসা না নিলে একসময় শরীর সাধারণ সংক্রমণের বিরুদ্ধেও লড়াই করার ক্ষমতা হারাতে পারে।
বিজ্ঞাপন
এইচআইভি—মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে আক্রমণকারী এই ভাইরাস নিয়ে বিশ্ব গত কয়েক দশকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। নতুন সংক্রমণ কমেছে, চিকিৎসার আওতা বেড়েছে, কমেছে এইডস-সম্পর্কিত মৃত্যুও। কিন্তু বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান সেই অগ্রগতির ভেতরেই তুলে ধরছে অস্বস্তিকর এক চিত্র।
এক বছরে নতুন শনাক্ত বেড়েছে ৪৫৩
জাতীয় এইডস ও যৌনবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এক বছরে দেশে ১ হাজার ৮৯১ জনের শরীরে নতুন করে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে। আগের বছর এই সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪৩৮। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে নতুন শনাক্তের সংখ্যা বেড়েছে ৪৫৩ জন।
বিজ্ঞাপন
আরও উদ্বেগের বিষয়, এই বৃদ্ধি এমন সময়ে ঘটেছে, যখন আগের বছরের তুলনায় নিয়মিত এইচআইভি পরীক্ষার সংখ্যা কমেছে। তাহলে কি দেশে এইচআইভি সংক্রমণ সত্যিই বাড়ছে? উত্তরটি এত সরল নয়। কারণ নতুন শনাক্ত আর নতুন সংক্রমণ এক কথা নয়। একজন মানুষ কয়েক বছর আগে এইচআইভিতে আক্রান্ত হলেও পরীক্ষা না করানোর কারণে অশনাক্ত থাকতে পারেন। পরে পরীক্ষায় ধরা পড়লে তিনি ওই বছরের নতুন শনাক্ত হিসেবে পরিসংখ্যানে যুক্ত হন। ফলে শনাক্তের সংখ্যা বাড়লেই সব মানুষ ওই বছরেই আক্রান্ত হয়েছেন—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না। তবে পরীক্ষা কমার মধ্যেও শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া যে বড় ধরনের সতর্কবার্তা, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
সংখ্যার ভেতরেই লুকিয়ে আছে বড় প্রশ্ন: জাতীয় পরিস্থিতি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় নিয়মিত এইচআইভি পরীক্ষার সংখ্যা কমেছে প্রায় দুই লাখ। অথচ একই সময়ে নতুন শনাক্তের সংখ্যা বেড়েছে ৪৫৩।
ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীতে বাড়ছে উদ্বেগ
বিজ্ঞাপন
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে পরীক্ষা বাড়ানো এবং আগে অশনাক্ত থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত হওয়া এই বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে। এখানে তাই দুটি বিষয় একসঙ্গে দেখতে হবে। একদিকে বাড়াতে হবে পরীক্ষা। অন্যদিকে খুঁজে বের করতে হবে এমন কোনো বাস্তব পরিবর্তন ঘটছে কি না, যার কারণে নতুন করে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে।
তিনি আরো বলেন, শুধু শনাক্তের সংখ্যা দিয়ে এর উত্তর পাওয়া যাবে না। প্রয়োজন নিয়মিত নজরদারি, জনগোষ্ঠীভিত্তিক পরীক্ষা এবং সংক্রমণের ধরন নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ।
তরুণদের নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ: সাম্প্রতিক তথ্যের আরেকটি দিকও চোখে পড়ার মতো। নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের বড় অংশ ২৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী। পাশাপাশি ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণদের মধ্যেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বিশেষজ্ঞদের মতে, তরুণদের মধ্যে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক তথ্যের ঘাটতি, ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক সেবার সীমিত সুযোগ এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বাংলাদেশে যৌনস্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা এখনও অনেক ক্ষেত্রেই সামাজিকভাবে অস্বস্তিকর। ফলে অনেক তরুণ প্রয়োজনীয় তথ্য পান না। কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনির্ভরযোগ্য উৎস থেকে ভুল তথ্য গ্রহণ করেন। এইচআইভির ক্ষেত্রে ভুল তথ্য শুধু বিভ্রান্তি তৈরি করে না; তৈরি করতে পারে সরাসরি স্বাস্থ্যঝুঁকি।
একটি সুচ, একটি ভুল, আজীবনের ঝুঁকি: ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীদের মধ্যে একই সুচ বা সিরিঞ্জ ভাগাভাগি করা এইচআইভি সংক্রমণের অন্যতম ঝুঁকি। রক্তের মাধ্যমে ভাইরাস একজনের শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। তাই এই জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ সুচ ও সিরিঞ্জ, ক্ষতি কমানোর কর্মসূচি, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সহজে পাওয়া যায় এমন চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাতীয় পরিস্থিতি প্রতিবেদনে নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের উল্লেখযোগ্য অংশকে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারী, যৌনকর্মী এবং রূপান্তরকামী জনগোষ্ঠী। কিন্তু এসব জনগোষ্ঠীকে সমাজের বাইরে ঠেলে দিয়ে এইচআইভি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। বরং সামাজিক কলঙ্ক যত বাড়বে, স্বাস্থ্যসেবা নেওয়ার প্রবণতা তত কমতে পারে। আর মানুষ পরীক্ষা এড়িয়ে গেলে অশনাক্ত সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে।
বিজ্ঞাপন
রোহিঙ্গা শিবিরেও বাড়ছে চাপ: বাংলাদেশের এইচআইভি পরিস্থিতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী। সাম্প্রতিক জাতীয় পরিস্থিতি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক বছরে নতুন শনাক্ত ১ হাজার ৮৯১ জনের মধ্যে ২১৭ জন রোহিঙ্গা। মোট শনাক্তের হিসাবে এটি প্রায় ১১ শতাংশ।
বাস্তুচ্যুতি, দীর্ঘস্থায়ী মানবিক সংকট, আর্থসামাজিক অনিশ্চয়তা এবং স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশের নানা সীমাবদ্ধতার কারণে এই জনগোষ্ঠীর জন্য আলাদা নজরদারি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা প্রয়োজন। এইচআইভি তাই শুধু হাসপাতালের বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মাদক, যৌনস্বাস্থ্য, দারিদ্র্য, অভিবাসন, সামাজিক বৈষম্য, বাস্তুচ্যুতি এবং স্বাস্থ্যসেবার নাগাল।
চিকিৎসার বাইরে কেন এত মানুষ: দেশে আনুমানিক ১৭ হাজার ৪৮০ জন মানুষ এইচআইভি নিয়ে বসবাস করছেন বলে সাম্প্রতিক জাতীয় তথ্য জানিয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৪ হাজার ৩১৩ জন শনাক্ত হয়েছেন। শনাক্তদের প্রায় ৭৪ শতাংশ চিকিৎসা নিচ্ছেন। অর্থাৎ উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ শনাক্ত হওয়ার পরও নিয়মিত চিকিৎসার আওতায় নেই। কারণ এইচআইভি শনাক্ত হওয়া মানেই জীবন শেষ হয়ে যাওয়া নয়। আধুনিক অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল চিকিৎসার মাধ্যমে ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। নিয়মিত চিকিৎসা নিলে আক্রান্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। সমস্যা তৈরি হয় তখনই, যখন মানুষ জানেন না তিনি আক্রান্ত, অথবা জানার পরও চিকিৎসা শুরু করেন না কিংবা নিয়মিত চিকিৎসায় থাকতে পারেন না। অর্থাৎ লড়াইটি শুধু ভাইরাসের বিরুদ্ধে নয়; লড়াইটি অজ্ঞতা, ভয়, সামাজিক কলঙ্ক এবং চিকিৎসায় প্রবেশের বাধার বিরুদ্ধেও।
বিজ্ঞাপন
৪১ জেলায় নেই পরীক্ষার পর্যাপ্ত সুবিধা
৪১ জেলায় পরীক্ষার সুবিধা নেই: দেশের এইচআইভি মোকাবিলায় বড় দুর্বলতা পরীক্ষার সুযোগের অসম বণ্টন। ২০২৬ সালের একটি স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দেশের ৪১টি জেলায় এখনো এইচআইভি পরীক্ষার পর্যাপ্ত সুবিধা নেই। এর অর্থ, দেশের একটি বড় অংশের মানুষের জন্য পরীক্ষা এখনও সহজলভ্য নয়। একজন মানুষ আক্রান্ত হলেও যদি তাঁর কাছে পরীক্ষা করার সুযোগ না থাকে, তাহলে তিনি জানবেন কীভাবে? আর না জানলে চিকিৎসা শুরু হবে কীভাবে? এই ঘাটতি দূর করতে দেশের ৬৪ জেলা হাসপাতালে এইচআইভি পরীক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে অশনাক্ত রোগী খুঁজে বের করা এবং দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার সুযোগ বাড়বে।
বিশ্বে সংক্রমণ কমছে, বাংলাদেশে নতুন শনাক্ত
বিজ্ঞাপন
বিশ্ব যখন পিছিয়ে দিচ্ছে ভাইরাসকে: বিশ্বের সামগ্রিক চিত্র বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। জাতিসংঘের এইডস-বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইডসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে বিশ্বে নতুন এইচআইভি সংক্রমণ ৪২ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে এইডস-সম্পর্কিত মৃত্যুও কমেছে ৫৭ শতাংশ। ২০২৫ সালে বিশ্বে এইচআইভি নিয়ে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪ কোটি ১০ লাখ। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৩ কোটি ২১ লাখ মানুষ চিকিৎসার আওতায় ছিলেন। অর্থাৎ বিজ্ঞান ও চিকিৎসা দেখিয়েছে—এইচআইভিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কিন্তু সেই সাফল্যের সুফল পেতে হলে রোগীকে আগে শনাক্ত হতে হবে, তারপর নিয়মিত চিকিৎসায় থাকতে হবে।
বাংলাদেশের সামনে চারটি কঠিন কাজ: এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সামনে চারটি কাজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, পরীক্ষা বাড়ানো। যত বেশি মানুষ পরীক্ষা করবেন, তত বেশি অশনাক্ত সংক্রমণ শনাক্ত করার সুযোগ তৈরি হবে। দ্বিতীয়ত, চিকিৎসায় ধরে রাখা। শুধু রোগী শনাক্ত করলেই হবে না; তাঁকে নিয়মিত ওষুধ ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা দিতে হবে।
তৃতীয়ত, নতুন সংক্রমণ প্রতিরোধ করা। নিরাপদ যৌন আচরণ, নিরাপদ সুচ ও সিরিঞ্জ, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে প্রতিরোধমূলক সেবা এবং বিজ্ঞানভিত্তিক সচেতনতা নিশ্চিত করতে হবে। চতুর্থত, সামাজিক কলঙ্ক কমানো। এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিকে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করলে সমস্যার সমাধান হবে না। বরং তিনি চিকিৎসা থেকে আরও দূরে সরে যেতে পারেন।
বিজ্ঞাপন
আতঙ্ক নয়, কিন্তু চোখ বন্ধ রাখারও সুযোগ নেই: বাংলাদেশের সাম্প্রতিক তথ্যকে সরাসরি ‘নতুন সংক্রমণের বিস্ফোরণ’ বলা বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক হবে না। কারণ নতুন শনাক্তদের সবাই যে ওই বছরই সংক্রমিত হয়েছেন, এমন তথ্য এই পরিসংখ্যান দেয় না। কিন্তু একই সঙ্গে এক বছরে নতুন শনাক্তের সংখ্যা ৪৫৩ জন বেড়ে যাওয়া, পরীক্ষার সুযোগের ঘাটতি এবং শনাক্ত হওয়ার পরও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষের চিকিৎসার বাইরে থাকা—এই তিনটি বিষয়কে হালকাভাবে দেখারও সুযোগ নেই। বিশ্ব যখন এইচআইভি নিয়ন্ত্রণে অগ্রসর হচ্ছে, বাংলাদেশকে তখন আরও দ্রুত পরীক্ষা, চিকিৎসা ও প্রতিরোধের সুযোগ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। কারণ এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবচেয়ে বড় শত্রু শুধু ভাইরাস নয়। অজ্ঞতা, ভয়, কলঙ্ক, আর দেরি। আজ একজন মানুষ পরীক্ষা করালেন না—আগামীকাল তিনি হয়তো চিকিৎসার সুযোগ হারাবেন। আজ একজন তরুণ সঠিক তথ্য পেলেন না—আগামীকাল তিনি ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। আজ একটি প্রত্যন্ত জেলায় পরীক্ষার ব্যবস্থা হলো না—আগামীকাল সেখানে অশনাক্ত সংক্রমণ কতটা ছড়িয়েছে, তা জানার উপায়ও থাকবে না। তাই বাংলাদেশের সামনে এখন আতঙ্ক ছড়ানোর সময় নয়।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরাস বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুনশি সামাজিক কলঙ্ককে চিকিৎসা গ্রহণের বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সামাজিকভাবে লক্ষ্যবস্তু বা কলঙ্কিত করা হলে তারা স্বাস্থ্যসেবা নেওয়া এড়িয়ে যেতে পারেন, আর এতে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ে। অর্থাৎ ভাইরাসের বিরুদ্ধে ওষুধ যতটা প্রয়োজন, সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধেও ততটাই প্রয়োজন লড়াই।
এ ব্যাপারে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ করলে এইচআইভি আক্রান্ত নারী ও পুরুষ প্রায় স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।
বিজ্ঞাপন








