Logo

‘পায়ে ব্যথা, আর হাঁটতে পারছি না’: কান্নাজড়িত কণ্ঠে গাজার শিশুর আকুতি

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৩০ আগস্ট, ২০২৬, ২২:৫৩
‘পায়ে ব্যথা, আর হাঁটতে পারছি না’: কান্নাজড়িত কণ্ঠে গাজার শিশুর আকুতি
ছবি: সংগৃহীত

গাজায় চলমান সংঘাত ও ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির মধ্যে এক ফিলিস্তিনি শিশুর অসহায় কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তুরস্কের সংবাদ টেলিভিশন চ্যানেল উলুসাল কানালে প্রচারিত ওই ভিডিওতে শিশুটিকে বাস্তুচ্যুত মানুষের সঙ্গে অবস্থান করতে দেখা যায়।

বিজ্ঞাপন

ভিডিওতে শিশুটিকে বলতে শোনা যায়, “আমার পায়ে ব্যথা করছে। আমি আর হাঁটতে পারছি না। আমরা কোথায় যাচ্ছি, সেটাও জানি না।” শিশুটির এই কথায় দীর্ঘ সময় ধরে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরে যেতে বাধ্য হওয়া মানুষের শারীরিক ক্লান্তি, দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তার চিত্র ফুটে ওঠে।

গাজায় চলমান সংঘাতের কারণে বহু পরিবার বারবার তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। এক স্থান থেকে অন্য স্থানে দীর্ঘ সময় ধরে বাস্তুচ্যুত হওয়ার এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের মুখে পড়ছে শিশুরা। দীর্ঘস্থায়ী এই বাস্তুচ্যুতি শিশুদের শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি গভীর মানসিক চাপ, ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলতে পারে।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে শিশুটির কথাগুলো বাস্তুচ্যুত মানুষের চলমান দুর্ভোগের একটি করুণ চিত্র তুলে ধরেছে। বিশেষ করে পায়ে ব্যথা এবং আর হাঁটতে না পারার কথা বলতে গিয়ে শিশুটির অসহায়ত্ব পরিস্থিতির কঠিন বাস্তবতাকে সামনে এনেছে।

বিজ্ঞাপন

উলুসাল কানালে প্রচারিত ভিডিওটি পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন মাধ্যমে ভিডিওটি নিয়ে আলোচনা হলেও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির পূর্ণ প্রেক্ষাপট এবং শিশুটির পরিচয় সম্পর্কে স্বাধীনভাবে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ফলে ভিডিওতে থাকা শিশুটির বক্তব্যকে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

গাজায় সংঘাত ও বাস্তুচ্যুতির মধ্যে শিশুদের এমন দুর্ভোগ তাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। শিশুটির সংক্ষিপ্ত কথোপকথনেও সেই কষ্ট, ক্লান্তি এবং সামনে কী অপেক্ষা করছে তা নিয়ে অনিশ্চয়তার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD