তিন ঘণ্টার ব্যবধানে জাপানে আঘাত হানল জোড়া ভূমিকম্প

পূর্ব জাপানে মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোররাতে পরপর এই দুই ভূকম্পনে চিবা ও ইবারাকি প্রিফেকচারের বিভিন্ন এলাকা কেঁপে ওঠে। তবে কোনো সুনামির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে জাপানের আবহাওয়া সংস্থা।
বিজ্ঞাপন
জাপান মেটিওরোলজিক্যাল এজেন্সির (জেএমএ) তথ্যের বরাত দিয়ে কিয়োডো নিউজ জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১৩ মিনিটে আঘাত হানে। চিবা প্রিফেকচারের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অনুভূত ওই ভূমিকম্পের প্রাথমিক মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৮।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৫০ কিলোমিটার গভীরে। জাপানের সাত স্তরবিশিষ্ট ভূকম্পন তীব্রতা স্কেলে চিবার আসাহি শহরে এর মাত্রা ছিল ৪। কম্পন অনুভূত হয় পার্শ্ববর্তী ইবারাকি প্রিফেকচারসহ আশপাশের এলাকাতেও।
প্রথম ভূমিকম্পের প্রায় তিন ঘণ্টা পর স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ১৪ মিনিটে দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এবার কম্পন অনুভূত হয় প্রতিবেশী ইবারাকি প্রিফেকচারে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
জাপানের আবহাওয়া সংস্থার হিসাবে, দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ০। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৬০ কিলোমিটার গভীরে। স্থানীয় ভূকম্পন তীব্রতা স্কেলে হিতাচিওমিয়া শহরে এর মাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩।
জেএমএ জানিয়েছে, দুটি ভূমিকম্পের কোনোটির কারণেই সমুদ্রে সুনামির সৃষ্টি হয়নি। পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি।
বিজ্ঞাপন
প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে জাপানের অবস্থান হওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতেও পূর্ব জাপানের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ভূকম্পন হয়েছে।
এর আগে গত ১ অক্টোবর উত্তর-পূর্ব চিবায় রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। তার আগে ২৯ সেপ্টেম্বর পূর্ব জাপানে ৪ দশমিক ৯ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল।
এ ছাড়া গত ২৩ আগস্ট একই অঞ্চলে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ওই ঘটনায় রাজধানী টোকিওতে অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছিলেন।








