অনির্দিষ্টকালের জন্য সারাদেশে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধ

সারাদেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত দেশের কোথাও এলপিজি সিলিন্ডার বিপণন কার্যক্রম চলবে না বলে সতর্ক করেছে তারা।
বিজ্ঞাপন
বুধবার এক লিখিত নোটিশের মাধ্যমে এই ঘোষণা দেয় এলপিজি ব্যবসায়ীদের সংগঠনটি।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত তারিখ থেকে বাংলাদেশের সব এলপিজি বিপণন ও সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন কোম্পানির প্ল্যান্ট থেকে গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রমও স্থগিত রাখা হবে।
বিজ্ঞাপন
এর আগে বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিজেদের দাবি তুলে ধরেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা। সেখানে তারা ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়ে দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের হুঁশিয়ারি দেন তারা। পরে সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা জানান, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের মাধ্যমে এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন করে মূল্য সমন্বয় প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রশাসনের মাধ্যমে পরিবেশকদের হয়রানি ও জরিমানার অভিযোগ তুলে ধরে এসব কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান তারা।
বিজ্ঞাপন
সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, এলপিজি খাতে বিদ্যমান সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত না এলে ব্যবসায়ীরা চরম ক্ষতির মুখে পড়বেন। তাই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই ঘোষণার ফলে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল সাধারণ ভোক্তা, হোটেল-রেস্তোরাঁ এবং শিল্পখাতে প্রভাব পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত আলোচনায় বসবে কি না, সে দিকেই এখন নজর সবার।








