নৌবাহিনী প্রধানের সঙ্গে আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ

দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যয় নিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর নৌবাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নবনিযুক্ত প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।
সাক্ষাৎটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আনসার ও ভিডিপি মহাপরিচালক নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানান। পাশাপাশি দুই বাহিনীর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতে দেশের নিরাপত্তা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং কৌশলগত নিরাপত্তার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা করা হয়। জাতীয় স্বার্থে দুই বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করেন।
বিজ্ঞাপন
বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা জোরদার, পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদান, কারিগরি ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দুই বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতাকে আরও কার্যকর করার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করা হয়।
এ সময় জাতীয় স্বার্থে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতার পরিধি ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দেশের স্থিতিশীলতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখতে দুই বাহিনীর পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও জোরদারের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রেও এ সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
সাক্ষাৎ শেষে দুই বাহিনীর পারস্পরিক সুদৃঢ় বন্ধন ও সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসেবে স্মারক উপহার ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়।
এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও পারস্পরিক সহযোগিতা ভবিষ্যতে দুই বাহিনীর যৌথ কার্যক্রম, পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তঃবাহিনী সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল করবে।








