শপথ নেওয়া ৬ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী কে কোন দায়িত্ব পাচ্ছেন?

মন্ত্রিসভায় নতুন করে চারজন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী যুক্ত হওয়ায় সরকারের মন্ত্রিসভার আকার বেড়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে তাদের শপথ পড়ান নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিজ্ঞাপন
নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ এবং বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।
নতুন ছয়জন যুক্ত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ জনে। এর মধ্যে ২৮ জন মন্ত্রী এবং ২৫ জন প্রতিমন্ত্রী। নতুন সদস্যদের মধ্যে কে কোন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা চলছে।
বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন করে শিগগিরই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। পাশাপাশি কয়েকজন বর্তমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বেও পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্ভাব্য বণ্টন অনুযায়ী, ড. আবদুল মঈন খানকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত পেতে পারেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। সে ক্ষেত্রে বর্তমান মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতাকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। আর সাচিং প্রু জেরীকে দেওয়া হতে পারে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে, বর্তমান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা করার আলোচনা রয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে জানা গেছে।
বিজ্ঞাপন
চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠন করে। শুরুতে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন ৫০ জন। এর মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
এরপর ১২ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রী কায়সার কামাল পদত্যাগ করেন। একই দিনে হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্পিকার এবং কায়সার কামাল ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগের পর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান আহমেদ আযম খান। আর ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনকে।
বিজ্ঞাপন
গত ১ জুন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেন। সর্বশেষ শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ায় ওই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী পদটিও শূন্য হয়েছে।








