Logo

ঈদের পর নিত্যপণ্য বাজার প্রায় ক্রেতাশূন্য, দামে কিছুটা স্বস্তি

profile picture
জনবাণী ডেস্ক
১৪ জুন, ২০২৫, ০২:০৩
ঈদের পর নিত্যপণ্য বাজার প্রায় ক্রেতাশূন্য, দামে কিছুটা স্বস্তি
ছবি: সংগৃহীত

ঈদের পর নিত্যপণ্য বাজার প্রায় ক্রেতাশূন্য, দামে কিছুটা স্বস্তি

বিজ্ঞাপন

পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটি শেষে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। তবে বাজার এখনও জমে ওঠেনি, কারণ ক্রেতা কম। এজন্য শাক-সবজি, মুরগিসহ বেশির ভাগ নিত্যপণ্যও বিক্রি হচ্ছে কম দামেই।

শুক্রবার (১৩ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, যাত্রাবাড়ি বাজার, শ্যাওড়াপাড়া বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, কিছু বিক্রেতা পণ্য সাজিয়ে বসে আছেন, তবে ক্রেতা কম। 

বিজ্ঞাপন

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে পণ্য আসছে, ক্রেতা কম আছে। দু-এক দিনের মধ্যে আবার বাজার জমে উঠবে।

বিজ্ঞাপন

খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে প্রতি কেজি করলা ৪০ টাকা, বরবটি ৩০-৪০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৩০ টাকা, আলু ২০-২৫ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা লতি ৪০ ও পটোল ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কেজি প্রতি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে টমেটো। আর প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়।

মাসখানেক ধরে পেঁয়াজের বাজারও চড়া। খুচরা পর্যায়ে ভালো মানের প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা।

বিজ্ঞাপন

এদিকে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৫০ টাকা টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছুটা বেড়ে সোনালি মুরগি ২৫০-২৬০ টাকা, দেশি মুরগি ৬৫০-৬৮০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৬০-২৮০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। আর জাতভেদে প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকায়।

 

বিজ্ঞাপন

প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকা। ভ্যানে করে কিছুটা ছোট আকারের প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।

আগের দামে বিক্রি হচ্ছে আদা, রসুন ও পেঁয়াজও। বাজারভেদে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়। এ ছাড়া প্রতি কেজি আদা মানভেদে ১২০-১৮০ টাকা এবং দেশি রসুন ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা ও আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়।

বিজ্ঞাপন

আরএক্স/

বিজ্ঞাপন

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD