আগস্টে ডেঙ্গুতে ৩৯ জনের মৃত্যু, লাখ ছোঁয়ার পথে আক্রান্তের সংখ্যা

চলতি বছরের জুন থেকে দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ দ্রুত বাড়ছে। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এতে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।
বিজ্ঞাপন
চলতি বছরের জুন থেকে দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ দ্রুত বাড়ছে। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এতে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্যানুসারে, গত আগস্ট মাসে ডেঙ্গুতে ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে এটি এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা। এর আগের মাস জুলাইয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৪১ জন।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারিতে ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু ও ১ হাজার ১৬১ জন আক্রান্ত হন। ফেব্রুয়ারিতে মৃত্যু হয় ৩ জনের, আক্রান্ত হন ৩৭৪ জন। মার্চে মৃত্যু না হলেও ৩৩৬ জন আক্রান্ত হন। এপ্রিলে প্রাণ হারান ৭ জন, হাসপাতালে ভর্তি হন ৭০১ জন। মে মাসে মৃত্যু ৩ জন, আক্রান্ত ১ হাজার ৭৭৩ জন। জুনে মৃত্যু হয় ১৯ জনের এবং আক্রান্ত হন ৫ হাজার ৯৫১ জন। জুলাইয়ে প্রাণ হারান ৪১ জন, আক্রান্ত হন ১০ হাজার ৬৮৪ জন। আগস্টে মৃত্যু হয় ৩৯ জনের এবং আক্রান্ত হন ১০ হাজার ৪৯৬ জন।
সবমিলিয়ে এ বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩১ হাজার ৪৭৬ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ২৯ হাজার ৮৬৮ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ১২২ জন।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ৪ জনের
বিজ্ঞাপন
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. আতিকুর রহমানের মতে, ডেঙ্গু এখন মৌসুমি রোগের বাইরে সারা বছরই দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, “বৃষ্টি শুরু হলে রোগীর সংখ্যা বাড়ে। প্রতিরোধে কীটনাশক ব্যবহার ও জনসচেতনতা দুটোই জরুরি।”
কীটতত্ত্ববিদ ডা. মনজুর চৌধুরী বলেন, “শুধু জরিমানা বা প্রচার নয়, কার্যকর জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।”
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: একদিনে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৫ জনের
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে দেশে সর্বাধিক ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত এবং ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল, যা ছিল ইতিহাসের সর্বোচ্চ।
এএস








