সীমান্তরেখা দিয়ে ডিজিটাল কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করা যায় না: পলক

ছবি: সংগৃহীত
ল্যান্ড বাউন্ডারি (সীমান্তরেখা) দিয়ে ডিজিটাল অ্যাক্টিভিটিসকে কখনো বাধাগ্রস্ত করা যায় না। জ্ঞানভিত্তিক ও উদ্ভাবনী স্মার্ট বাংলাদেশ ও ত্রিপুরা বিনির্মা...
বিজ্ঞাপন
ল্যান্ড বাউন্ডারি (সীমান্তরেখা) দিয়ে ডিজিটাল অ্যাক্টিভিটিসকে কখনো বাধাগ্রস্ত করা যায় না। জ্ঞানভিত্তিক ও উদ্ভাবনী স্মার্ট বাংলাদেশ ও ত্রিপুরা বিনির্মাণে ‘নলেজ পার্টনার’ হয়ে কাজ করবে বাংলাদেশ ও ভারত। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় দুই দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ আইটি বিজনেস সামিট’ শেষে ঢাকায় ফেরার সময় আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সীমান্তে শনিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগরতলায় আইটি বিজনেস সামিটের মধ্যদিয়ে ভারতের ত্রিপুরাতে ইলেকট্রনিক্স, ডিজিটাল ডিভাইস সফটওয়্যার, ই-কমার্স এবং বিপিও সেক্টরে বাংলাদেশের একটি দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। তিনি বলেন, ল্যান্ড বাউন্ডারি দিয়ে ডিজিটাল অ্যাক্টিভিটিসকে কখনো বাধাগ্রস্ত করা যায় না।
বিজ্ঞাপন
প্রতিমন্ত্রী পলক আরও বলেন, আইসিটি উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে সারা বাংলাদেশে ৪৩টি হাই-টেক পার্ক এবং ৬৪টি শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টারসহ ১৩৪টি হাই-টেক ও আইটি পার্ক স্থাপনা করা হচ্ছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ভারতের ত্রিপুরাসহ বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগীয় শহরগুলোতে হাই-টেক পার্ক গড়ে তুলে আইসিটি বিনিয়োগকারীদের আসার সুযোগ করে দিতে চান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক শুক্রবার ত্রিপুরা রাজ্যে প্রাণ-আরএফএল কোম্পানি ঘুরে দেখেন। পরে তিনি ত্রিপুরা হাই-টেক পার্কও পরিদর্শন করেন।
এসএ/
বিজ্ঞাপন








