গোল বাতিলের পরও থামেনি মিশর, আবারও আর্জেন্টিনার জালে বল

গোল বাতিলের ধাক্কা বেশিক্ষণ টিকতে দিল না মিশর। কয়েক মিনিটের ব্যবধানেই আবারও আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ ভেঙে দ্বিতীয়বারের মতো বল জালে জড়ায় আফ্রিকার দলটি। ৬৭তম মিনিটের এই গোলে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
বিজ্ঞাপন
ম্যাচের এই অবস্থায় বিশ্বকাপের শেষ ষোল থেকেই বিদায়ের বড় শঙ্কায় পড়ে যায় আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে, বিশ্বকাপের ইতিহাসে কখনো কোনো ম্যাচ না জেতা এবং কখনো নকআউট পর্বে না ওঠা মিশর ইতিহাস গড়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায়।
৬৭তম মিনিটে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ সাজায় মিশর। মাঝমাঠ থেকে এগিয়ে এসে হাসান নিখুঁতভাবে বল বাড়িয়ে দেন সতীর্থ মোস্তফা জিকোর উদ্দেশে। সুযোগ বুঝে তিনি আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান। এবার আর কোনো বাধা আসেনি, গোলটি বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ব্যবধান দ্বিগুণ করে মিশর।
এর আগে ৫৮তম মিনিটেও জিকোর পায়ে বল জড়িয়েছিল আর্জেন্টিনার জালে। দুর্দান্ত এক পাল্টা আক্রমণের শেষ প্রান্তে তার চমৎকার ফিনিশিংয়ে গোল পেয়ে গিয়েছিল মিশর। তবে আক্রমণের শুরুতে ফাউলের ঘটনা ধরা পড়ায় সেই গোল বাতিল করা হয়।
বিজ্ঞাপন
বাতিল হওয়া গোলটিও ছিল দৃষ্টিনন্দন। হাসানের অসাধারণ দৌড়, এরপর মোহাম্মদ সালাহর নিখুঁত পাস এবং সবশেষে জিকোর শীতল মাথার ফিনিশিং—সব মিলিয়ে এটি বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা দলীয় আক্রমণ হতে পারত। কিন্তু আক্রমণের শুরুতে হওয়া ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল করে আর্জেন্টিনার পক্ষে ফ্রি কিকের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল।
তবে সেই হতাশা কাটিয়ে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আবারও একই দৃঢ়তা নিয়ে আক্রমণে ওঠে মিশর। এবার আর কোনো বিতর্কের সুযোগ না রেখে বৈধ গোল আদায় করে আর্জেন্টিনাকে আরও বড় চাপে ফেলে দেয় তারা।








