মাঘের শেষে তাপমাত্রা নিয়ে যে দিল আভাস আবহাওয়া অফিস

মাঘ মাস শেষের পথে থাকলেও শীতের চেনা তীব্রতা আর চোখে পড়ছে না। বরং দিন ও রাতের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চলতি সপ্তাহজুড়ে দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকার পাশাপাশি উষ্ণতার প্রবণতা আরও জোরালো হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের স্বাক্ষরিত ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানানো হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার একটি অংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এসব আবহাওয়াগত অবস্থার প্রভাবে দেশের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে।
শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, সারা দেশে আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকার কিছু এলাকায় হালকা কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বিজ্ঞাপন
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) একই সময়ের পূর্বাভাসে জানানো হয়, সারাদেশে শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। ভোরে নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা দেখা দিতে পারে। রাতের তাপমাত্রা খুব একটা পরিবর্তন না হলেও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আংশিক মেঘলা আকাশের সঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। ভোরে কুয়াশার প্রবণতা থাকতে পারে এবং এদিন রাত ও দিনের উভয় তাপমাত্রাই সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ভোরের দিকে কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে আবহাওয়া অফিস জানায়, রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে এবং আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। ভোরে কিছু এলাকায় হালকা কুয়াশা দেখা দিতে পারে। এদিন রাত ও দিনের তাপমাত্রা আবারও সামান্য বাড়ার আভাস দেওয়া হয়েছে।
সবশেষে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সামগ্রিকভাবে আগামী পাঁচ দিনে সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে মাঘের শেষে শীত ধীরে ধীরে বিদায় নিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।








