গ্রেপ্তারের একদিন পর কারাগারে যুবলীগ নেতার মৃত্যু

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় গ্রেপ্তারের একদিন পর মো. নুরুল আলম (৩৮) নামে এক যুবলীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) সকালে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে তিনি মারা যান। নুরুল আলম সাতকানিয়ার ঢেমশা ইউনিয়নের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি স্থানীয় যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে সাতকানিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়। থানা থেকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, কেরানিহাট বাজার এলাকার একটি জমি নিয়ে কয়েক বছর ধরে নুরুল আলমের পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী একটি পরিবারের বিরোধ চলছিল। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, ওই বিরোধের জের ধরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা আরও দাবি করেন, গ্রেপ্তারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিপক্ষের লোকজন বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য ও পোস্ট করেছেন। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে নুরুল আলমদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনও করা হয়েছিল।
বিজ্ঞাপন
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গোয়েন্দা পুলিশ তাকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করে। থানায় আনার পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতে পাঠানো হয়। পুলিশের হেফাজতে থাকাকালে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলেও তিনি জানান।
ওসি আরও বলেন, আটকের পর নুরুল আলম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বা চাপে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সেখান থেকে তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন।
বিজ্ঞাপন
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান, মঙ্গলবার বিকেলে একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে নুরুল আলম কারাগারে আসেন। কারাগারে নেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত প্রতিবেদন অপেক্ষায় রয়েছে।








