বাংলাদেশ-গাজায় ১০ লাখ রোজাদারের ইফতার আয়োজন করছে মাস্তুল ফাউন্ডেশন

পবিত্র রমজানে বৃহৎ পরিসরে ইফতার আয়োজন করতে যাচ্ছে মাস্তুল ফাউন্ডেশন। এ বছর রমজানে বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিনের গাজার সংকটাপন্ন মানুষদের মিলিয়ে মোট ১০ লক্ষ রোজাদারকে ইফতার করানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন মাস্তুল ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আবু মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এবং হেড অব ফিন্যান্স মাহবুবুর রহমান খান।
মাস্তুল ফাউন্ডেশনের টিম ঢাকার ৬টি এলাকা এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে। পাশাপাশি, যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার মানুষের কাছেও এই মানবিক সহায়তার একটি বড় অংশ পৌঁছানো হচ্ছে। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে সুদান ও ফিলিস্তিনের গাজাতেও পরিচালিত হচ্ছে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের এই মানবিক কার্যক্রম। ইতোমধ্যে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের টিম গাজায় পৌঁছে রমজানের ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে।
মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন জানান- “আমাদের সকল কার্যক্রম মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত। মাস্তুল ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক ও জনকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠান।
বিজ্ঞাপন
মাস্তুল ফাউন্ডেশনের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আবু মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, এবারের রমজানে বাংলাদেশ ও গাজায় ১০ লক্ষ রোজাদারের ইফতার আয়োজন করছে মাস্তুল ফাউন্ডেশন। মাস্তুল ফাউন্ডেশন সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রোটোকল মেনে কাজ করছে। বর্তমানে আমাদের মিশরে অফিস রয়েছে। আমরা একাধিকবার ঢাকাস্থ ফিলিস্তিন দূতাবাসের মাধ্যমে অর্থ প্রেরণ করেছি এবং গাজায় কার্যক্রম পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও নির্ভরযোগ্য হিউম্যানিটারিয়ান এইড অর্গানাইজেশনগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে আমাদের সংগৃহীত ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছি।”
মাস্তুল ফাউন্ডেশনের হেড অফ ফিন্যান্স মাহবুবুর রহমান খান বলেন, “মাস্তুল ফাউন্ডেশনের সকল কার্যক্রম স্থানীয় দেশীয় অনুদানের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং প্রতিটি কার্যক্রম প্রতিবছর যথাযথভাবে অডিট করা হয়। আমরা আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকি।”
মাস্তুল ফাউন্ডেশন বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মাস্তুল ফাউন্ডেশন দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষ ও শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে আসছে।
বিজ্ঞাপন
করোনা মহামারির সময় দাফন সেবা প্রদান; ২০২২ ও ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জরুরি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ; এবং ২০২৩ সালের তুরস্কের ভূমিকম্পে বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা প্রদান। এছাড়াও ঢাকার হাজারীবাগ বারইখালি এলাকায় নিজস্ব মাদ্রাসা, সেল্টারহোম, এতিমখানা ও মেহমানখানা রয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিদিন বিনামূল্যে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিতদের একবেলার খাবার পৌঁছে দিচ্ছে।








