বৃহঃস্পতিবার, ১ জুন ২০২৩
১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ব্যাথা যায় তাই একটি রান্না করে খেয়েছি শেয়ালের মাংস, আর একটি আছে


উপজেলা প্রতিনিধি
🕐 প্রকাশ: ০৯:০৯ পিএম, ২৫শে মে ২০২৩

আটকে রাখা শেয়াল

"শরীরের ব্যাথা যায় তাই একটি রানা করে খেয়েছি আর একটি আটকে রেখেছি " এভাবে কোনো গরু,  ছাগল কিংবা মুরগি খাওয়ার কথা বলছিল না। বলছিল বন থেকে শিকার করা শিয়ালের কথা। পটুয়াখালীর কলাপাড়ার কুয়াকাটা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড নবীনপুরের বাসিন্দা হারুন হাওলাদার (৪৫) এই বর্ননা দিচ্ছিলেন অ্যানিমেল লাভার্স অফ পটুয়াখালী’র কলাপাড়া উপজেলা শাখার সদস্য কেএম বাচ্চুর সাথে।


বৃহস্পতিবার (২৫ মে) বিকেল চারটার সময় পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড নবীনপুর গ্রামের বাসিন্দা হারুনের বাড়িতে শিয়াল জবাই করেছে এমন খবর পেয়ে ওই বাড়িতে থেকে জীবিত অবস্থায় একটি শিয়াল উদ্ধার করে অ্যানিমেল লাভার্স অফ পটুয়াখালী’র কলাপাড়া উপজেলা শাখার সদস্যরা।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মজিবুর রহমান অ্যানিমেল লাভার্স অফ পটুয়াখালী’র কলাপাড়া উপজেলা শাখার সদস্য কেএম বাচ্চু, শাওন প্রমুখ। 


হারুন হাওলাদার বলেন, আমি দুইটি শিয়াল জঙ্গল থেকে ধরেছি। শুনেছি এগুলো রান্না করে খেলে আর শরীরে কোনো ব্যাথা থাকে না তাই একটি রান্না করে খেয়েছি আর একটি খাঁচায় রেখেছি। তবে এগুলো যে দরা নিষেধ তা আমি জানিনা।


অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী’র কলাপাড়া টিমের সদস্য কেএম বাচ্চু বলেন, আমরা গোপন সংবাদে জানতে পারি একটি শিয়াল জবাই করে রান্না করে হচ্ছে। পরে দ্রুত সেখানে গিয়ে রান্না করা শিয়াল খেয়ে ফেলার কারনে আর পাইনি তবে একটি খাঁচায় আঁটকানো অবস্থায় পেয়েছি। সেটাকে উদ্ধার করে নিয়ে এসে বনবিভাগকে জানিয়েছি।


মহিপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন, ‘বন্যপ্রাণী হত্যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যেটা উদ্ধার করা হয়েছে সেটা রাতে অবমুক্ত করা হবে।


আরএক্স/

দুর্নীতির অভিযোগে সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের অধ্যক্ষ ওএসডি


জেলা প্রতিনিধি
🕐 প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম,১লা জুন ২০২৩

প্রফেসর ড. মো. হুমায়ুন কবির মজুমদার

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. হুমায়ুন কবির মজুমদারকে শাস্তিমুলক বদলি (ওএসডি) করা হয়েছে। তাকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমকি অধিদপ্তরের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।


এর আগে কলেজের বিভিন্ন তহবিল থেকে ৫৬ লাখ ৮ হাজার ৮৮৬ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০২১ সালের ৭ জুন তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।


বুধবার (৩১ মে) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সরকারি কলেজ শাখার উপ-সচিব চৌধুরী সামিনা ইয়াসমীন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে ওএসডি করার তথ্য নিশ্চিত করা হয়।


প্রজ্ঞাপনের আদেশে বলা হয়েছে, বিসিএস (সাধারণ) ক্যাডারের কর্মকর্তাকে (প্রফেসর ড. মো. হুমায়ুন কবির, অধ্যক্ষ, এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা) পুনারাদেশ না দেয়া পর্যন্ত নিজ বেতন ও বেতনক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে বদলি/পদায়ন করা হলো। বর্ণিত কর্মকর্তা আগামী ৪ জুনের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল হতে অবমুক্ত হবেন। অন্যথায় একই তারিখ অপরাহ্নে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত মর্মে গণ্য হবেন।


দুদকের অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৬/২০১৭ অর্থ বছরে কলেজ তহবিলের বিভিন্ন খাত হতে ২ কোটি টাকার আত্মসাতের অভিযোগ উঠে অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির মজুমদারের বিরুদ্ধে। এরই আলোকে দুর্নীতি দমন কমিশন জেলা কার্যালয় পাবনা তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। দুদকের প্রাথমিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে ৫৬ লক্ষ ৮ হাজার ৮৮৬ টাকা আত্মসাতের সত্যতা পাওয়া যায়। এরপর তদন্ত কার্যক্রম শেষে ২০২১ সালে ৭ জুন তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।


মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, কলেজের ছাত্র সংসদের কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও, অধ্যক্ষ ছাত্র সংসদ তহবিল থেকে ১৫টি চেকের মাধ্যমে পাঁচ জন ছাত্রনেতা ও কর্মচারীর নামে পাঁচ লাখ দুই হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। কলেজের উন্নয়ন তহবিল থেকে উন্নয়ন কমিটির সুপারিশ ছাড়াই কোটেশন ছাড়া ভুয়া আবেদন, বিল, ভাউচার করে ৩৮টি চেকের মাধ্যমে ১৯ লাখ ৯৯ হাজার ২৩৮ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। 


এছাড়া কলেজের বিবিধ তহবিল থেকেও একইভাবে ভুয়া আবেদন ও বিল ভাউচার করে ৩৭টি চেকের মাধ্যমে ১৩ লাখ চার হাজার ৪২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়া কলেজের বেসরকারি আদায় তহবিল থেকে ভর্তি কার্যক্রম ও ফর্ম পূরণ বাবদ নির্ধারিত ফি সহ, অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে এ ফান্ডে জমা দিয়ে পরে ২৮টি চেকের মাধ্যমে ১৮ লাখ তিন হাজার ৭০৬ টাকা উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করেছেন।


মামলার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ২৯ মার্চ জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পাবনা আঞ্চলিক কার্যালয়ে তলব করা হয় অভিযুক্ত অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির মজুমদারকে। সেখানে সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পাবনা অঞ্চলের দুদকের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্র ধর। পরেরদিনও তাকে কয়েক ঘণ্টাব্যাপী জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।


এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. খায়রুল হক সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এজন্য তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। খুব দ্রুতই এই মামলার চার্জশিট দেয়া হবে বলে জানান তিনি।


ওএসডির বিষয়ে জানতে অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. হুমায়ুন কবির মজুমদারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন কেটে দেন। এরপর একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার কোন মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।


আরএক্স/


মহেশখালীতে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার ১


জেলা প্রতিনিধি
🕐 প্রকাশ: ০৩:৫৮ পিএম,১লা জুন ২০২৩

ছবি: জনবাণী

কক্সবাজারের মহেশখালীতে দেশিয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো দাসহ ডাকাতি মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।


বৃহস্পতিবার (১ জুন) সকালে মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়নের রাঙ্গাখালী মইন্ন্যারঘোনা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান মাতারবাড়ী পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ ইমরান হোসেন।


গ্রেফতার নাছির উদ্দিন (৩৩) ওরফে নাছির ডাকাত মহেশখালীর মাতারবাড়ী ইউনিয়নের মাইজপাড়ার আবু ছৈয়দের ছেলে।


আরও পড়ুন: তরুণীকে ধর্ষণের পর গর্ভপাতের অভিযোগে গ্রেফতার ৩


পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার নাছির উদ্দিন একজন চিহ্নিত ডাকাত। হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র ও পুলিশের উপর হামলাসহ নানা অভিযোগে মহেশখালী থানায় ৫ টির বেশি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় সে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল।


এসআই ইমরান হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে মহেশখালীর মাতারবাড়ী ইউনিয়নের রাঙ্গাবালী মইন্ন্যারঘোনা এলাকায় চিহ্নিত ডাকাত নাছির উদ্দিনসহ কতিপয় সশস্ত্র লোকজন অবস্থান করছে খবরে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। এতে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ৪/৫ জন লোক দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা চালায়। এসময় ধাওয়া দিয়ে এলজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।


পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশী চালিয়ে পাওয়া যায় দেশিয় তৈরী একটি বন্দুক ও একটি লম্বা কিরিচ দা। 


আরও পড়ুন: নারী দিয়ে ফাঁদ পেতে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেফতার ৩


পুলিশের এ উপপরিদর্শক বলেন, গ্রেফতার নাছির উদ্দিন একজন চিহ্নিত ডাকাত। হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র ও পুলিশের উপর হামলাসহ নানা অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আদালতে ৫ টির বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলায় সে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল। 


গ্রেফতার নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান মোহাম্মদ ইমরান হোসেন।


জেবি/ আরএইচ/

গৌরীপুর রেল সেতুতে স্লিপারের বদলে বাঁশ


জেলা প্রতিনিধি
🕐 প্রকাশ: ০৩:৫১ পিএম,১লা জুন ২০২৩

ছবি: জনবাণী

ময়মনসিংহ-গৌরীপুর রেললাইনে একটি সেতুতে লোহার স্লিপারের বদলে ক্ষয়ে যাওয়া পুরাতন কাঠের স্লিপারের নিচে দুটি বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে। বাঁশ দুটিকে স্লিপারের সাথে আটকাতে জিআই তার দিয়ে শক্ত করে বেঁধে দেয়া হয়েছে। 


এ ছাড়া পুরাতন ক্ষয়ে যাওয়া কাঠের স্লিপার স্থানচ্যুত না হতে বাঁশের ফালি ব্যবহার করা হয়েছে। এতে যে কোন সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


জেলার তারাকান্দা উপজেলার বিসকা ইউনিয়নের বিসকা রেলওয়ে স্টেশন ও মজমপুর গ্রামের মাঝাামাঝি আইড়া বিলের উপর অবস্থিত রেল সেতুতে এমন চিত্র দেখা যায়। 


আরও পড়ুন: বেড়ায় ভাঙন রোধে নদীতে বাঁশের ছটকা


সেতুটির দৈর্ঘ অন্তত ২০ ফুট, এতে ১০ টি পুরাতন ক্ষয়ে যাওয়া কাঠের স্লিপার ব্যবহার করা হয়েছে। এই সেতুটি দিয়ে ময়মনসিংহ থেকে ঝারিয়া, মোহনগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও চট্রগ্রামগামী ট্রেন চলাচলা করে।


স্থানীয় মাওলানা মঞ্জুরুল হক বলেন, আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর আগে একবার হরতালের সময় এই সেতু তুলে ফেলেছিল আন্দোলনকারীরা। পরে এই ব্রীজের উপর কাঠের স্লিপার বসিয়ে লাইন চালু করা হয়। এরপর ময়মনসিংহ গৌরীপুর রেললাইন নতুন করা হলেও এই সেতুটি আগের মতই রয়ে গেছে। সেই পুরাতন ক্ষয়ে যাওয়া কাঠের স্লিপারই রয়ে গেছে। কিছু দিন পর পর কাঠের স্লিপারগুলো যেন না সরে যায়। এজন্য বাঁশের ফালি ব্যবহার করে। সেতুর একটা স্লিপার একেবারেই ক্ষয়ে গেছে। ওই স্লিপারের নিচে দুটি বাঁশ ডুকিয়ে জিআই তার দিয়ে বেঁধে দিয়েছে। এগুলো অবহেলা ছাড়া কিছুই না। যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।


মজমপুর গ্রামের হারুন অর রশিদ বলেন, যেখানে লোহা বা কংক্রিটের ঢালাই করা স্লিপার দেয়ার কথা, সেখানে দেয়া হয়েছে বাঁশ। এতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা এলাকাবাসীর দাবি খুব দ্রুতই যেন এই বাঁশ গুলো সরিয়ে নেয়া হয় এবং মেরামত করা হয়।


আরও পড়ুন: শত বছরের পুরনো রাস্তায় বাঁশের বেড়া, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ


স্থানীয় জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, সরকারতো আর রেললাইনে বাঁশ দিতে বলেনি। যারা এই লাইনের দায়িত্বে আছে। তারাই লোহার স্লিপারের বদলে বাঁশ ব্যবহার করেছে। কোন দুর্ঘটনা ঘটলে তো আমাদের মত সাধারণ মানুষের ক্ষতি হবে। তাই, কোন দুর্ঘটনা ঘটার আগেই যেন এই সেতুতে লোহার স্লিপার লাগানো হয়।


এবিষয়ে ময়মনসিংহ রেলওয়ে সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আকরাম আলী বলেন, বাঁশের ফালি লাগানো হয়েছে স্লিপারগুলো নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। এটা আমাদের অর্থনৈতিক বা ঠিকাদারের কাজের কোন অবহেলার বিষয় না। আমাদের অনুমতির ভিত্তিতেই লাগানো হয়েছে। তবে, নতুন স্লিপার আসলে এগুলো পরিবর্তন করা হবে বলেও জানান তিনি।


জেবি/ আরএইচ/

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত


জেলা প্রতিনিধি
🕐 প্রকাশ: ০৩:৪৪ পিএম,১লা জুন ২০২৩

ছবি: জনবাণী

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


বৃহস্পতিবার (১ জুন) সকাল ১১টায় শহরের জামান ইন হোটেল কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সাংবাদিক, শিক্ষক, এনজিওকর্মীসহ সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 


এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তপক্ষের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ফরিদ মোল্লা, জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার গৌতম কুমার সাহা, জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর ফরিদুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক ফারুক প্রমুখ। 


আরও পড়ুন: মহম্মদপুরে সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউনশনস স্কিম বাস্তবায়ন বিষয়ক কর্মশালা


নবজাতক শিশু ও মাতৃমৃত্যুহার কমাতে এবং ভেজাল প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।


অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণে মনিটরিং বাড়াতে হবে। 


জেবি/ আরএইচ/


কক্সবাজার জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু


জেলা প্রতিনিধি
🕐 প্রকাশ: ০৩:৩৯ পিএম,১লা জুন ২০২৩

ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজার জেলা কারাগারের মাদক মামলার এক হাজতির হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (১ জুন) সকাল সাড়ে ১০ টায় কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় বলে জানান কক্সবাজার জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক (জেল সুপার ) মো. শাহ আলম।


মৃত্যু হওয়া মোহাম্মদ রফিক (২৮) টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের দরগাহ পাড়ার মৃত নুরুল কবিরের ছেলে।


আরও পড়ুন: কাশিমপুর কারাগারে নারী হাজতির মৃত্যু


শাহ আলম বলেন, টেকনাফ থানায় দায়ের মাদক মামলার আসামি মোহাম্মদ রফিক গ্রেফতার হয়ে গত বছর ধরে জেলা কারাগারে অন্তরীণ রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল পৌণে ৯ টায় কারাগারে আকস্মিক বুকে ব্যাথা অনুভব করেন। পরে তার অসুস্থতার খবরে সংশ্লিষ্টরা কারাগার হাসপাতালে ভর্তি করে। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।


পরে কারাগার কর্তৃপক্ষ মোহাম্মদ রফিককে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে। সকাল সাড়ে ১০ টায় সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।


জেল সুপার বলেন, মাদক মামলার হাজতির মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। এ ব্যাপারে মৃত হাজতির স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে।


আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু


মৃত্যু হওয়া হাজতি মোহাম্মদ রফিকের ভাইপো আব্দুর শুক্কুর বলেন, তার চাচা গত আড়াই বছর আগে ষড়যন্ত্রমূলক মাদক মামলায় গ্রেফতার হন। গত প্রায় এক বছর ধরে বিচারাধীন ওই মামলায় তিনি জেল হাজতে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।


মৃত হাজতির লাশ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান জেল সুপার মো. শাহ আলম।


জেবি/ আরএইচ/