Logo

দূষণকারী দেশগুলোর কাছে বাংলাদেশের পাওনা ৫.৮ ট্রিলিয়ন ডলার

profile picture
জনবাণী ডেস্ক
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ২৪:৫৩
দূষণকারী দেশগুলোর কাছে বাংলাদেশের পাওনা ৫.৮ ট্রিলিয়ন ডলার
ছবি: সংগৃহীত

দূষণকারী দেশগুলোর কাছে বাংলাদেশের পাওনা ৫.৮ ট্রিলিয়ন ডলার

বিজ্ঞাপন

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব গভীর ও বিপজ্জনক। শিল্পোন্নত দেশগুলোর কারণে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বেড়েছে। যার কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে প্রায় ২ কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারেন। পরিবেশ দূষণের এই প্রভাব বিবেচনায় ধনী ও দূষণকারী দেশগুলোর কাছে বড় অংকের অর্থ পাওনা হয়েছে বাংলাদেশ।

সম্প্রতি একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা অ্যাকশনএইড ইন্টারন্যাশনাল। এতে বলা হয়, ধনী ও দূষণকারী দেশগুলোর কাছে ৫ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার পাওনা বাংলাদেশ। অথচ সেই অর্থ পরিশোধ না করে উল্টো উন্নয়নের নামে প্রায় ৭৮ বিলিয়ন ডলার বিদেশি ঋণের ফাঁদে বাংলাদেশকে জর্জরিত করছে উন্নত দেশগুলো।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদনের সমীক্ষায় দেখা যায়, ২০২৪ সালে বিশ্বের ৫৪টি নিম্ন আয়ের দেশ বিদেশি ঋণের ফাঁদে জর্জরিত। দেশগুলো জাতীয় উন্নয়ন বিসর্জনের বিনিময়ে ধনী দেশগুলোর কাছে পরিশোধ করেছে ১৩৮ বিলিয়ন ডলার। সমীক্ষা আরও বলছে, জলবায়ু দূষণের ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাংলাদেশসহ নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোর কাছে ১০৭ ট্রিলিয়ন ডলার ঋণী ধনী দেশগুলো; যা নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোর বিদেশি ঋণ ১ দশমিক ৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারের তুলনায় ৭০ গুণ বেশি।

অ্যাকশনএইডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধনী দেশগুলো, বেসরকারি ঋণদাতা এবং বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে বিদেশি ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে জাতীয় স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং জলবায়ু কর্মসূচিসহ অপরিহার্য সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলাদেশ। জরুরিভিত্তিতে এই বিদেশি ঋণ প্রত্যাহারের আহ্বান এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারের ওপর জোর দিয়েছে সংস্থাটি।

বিজ্ঞাপন

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD