মালয়েশিয়ায় নিখোঁজ স্বামীর সন্ধান চেয়ে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন
জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৬:০০ অপরাহ্ন, ২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫

মালয়েশিয়ায় গিয়ে নিখোঁজ হওয়া স্বামী রাকিব হাসানের সন্ধ্যান চেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার স্ত্রী।
আরও পড়ুন: সাবেক আইনমন্ত্রীর মুক্তি চেয়ে আখাউড়ায় পোষ্টার
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের উমেদপুর গ্রামের রাকিব হাসানের বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। রাকিব হাসান ওই গ্রামের মেহেদী হাসানের পুত্র। তিনি ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ রয়েছেন বলে পরিবারের দাবী। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে প্রবাসীর স্ত্রী নাহিদা আক্তার। এসময় উপস্থিত ছিলেন রাকিব হাসানের মা লক্ষ্মী বেগম।
লিখিত বক্তব্যে নাহিদা আক্তার বলেন, একই গ্রামের অহিদ মোল্লার ছেলে আজাদ মিয়া আমার স্বামীকে ভিসা দিয়ে মালয়েশিয়া নেয়। গত ৮ জানুয়ারি আমার স্বামী মালয়েশিয়া যায়। আজাদ মিয়া বলেছিল আমার স্বামীকে চাকুরীর ব্যবস্থা করে দিবে। প্রায় এক মাস ৫ দিন আমার স্বামী আজাদ মিয়ার রুমে ছিল। কিন্তু চাকুরী হয়নি। হঠাৎ গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আজাদ মিয়ার ছোট ভাই ইসহাক মিয়া তার ফেসবুকে প্রচার করে আমার স্বামী তাদের রুম থেকে মোবাইলসহ কিছু জিনিষপত্র নিয়ে চলে গেছে। এ খবর জানার পর আমার শাশুড়ী আজাদ মিয়াকে ফোন দেয়। কিন্তু আজাদ মিয়া ফোন ধরে না। উল্টো আজাদ মিয়া মালয়েশিয়ান পুলিশের নিকট অভিযোগ করে। পুলিশ এসে রুম থেকে আমার স্বামীর পাসপোর্ট উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এরপর থেকে আমার স্বামীর কোন খোঁজ পাচ্ছি না। আমি আমার স্বামীর সন্ধ্যান চাই।
আরও পড়ুন: আখাউড়ায় ব্লাড ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দরিদ্রদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
নিখোঁজ রাকিব হাসানের মা লক্ষ্মী বেগম বলেন, আমার ছেলে যদি রুম থেকে চলে যায়, তাহলে পাসপোর্ট রেখে যাবে কেন। আমি আজাদকে ফোন দিলেও সে রিসিভ করে না। তার পরিবারকে জানিয়েও কোন সহযোগিতা পাচ্ছি না।
লক্ষ্মী বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আজ কয়েক দিন ধরে আমার ছেলে নিখোঁজ। আমি তো মা। আমার একটাই ছেলে। আপনারা আমার ছেলেকে যেভাবে পারেন বের করে দেন।
এদিকে, মোবাইল ফোনে আজাদ মিয়ার কাছে এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি রাকিব মিয়াকে বিদেশে আনিনি। সে নিজে এসে আমার রুমে ছিল। না জানিয়ে চলে গেছে।
এসডি/