Logo

ঊর্ধ্বমুখী নিত্যপণ্যের দাম, পেঁয়াজ-আদার পর সবজিতেও অস্বস্তি

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ মে, ২০২৬, ১৪:৩৩
ঊর্ধ্বমুখী নিত্যপণ্যের দাম, পেঁয়াজ-আদার পর সবজিতেও অস্বস্তি
ছবি: সংগৃহীত

বাজারে ডজন ডিমের দাম এখন ১৫০ টাকায় পৌঁছেছে। পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতে এর চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। গত এক মাস ধরে সবজির বাজারও চড়া। সামান্য বৃষ্টি হলেই দাম আরও বেড়ে যায়। এরই মধ্যে চলতি সপ্তাহে নতুন করে দামের তালিকায় যোগ হয়েছে পেঁয়াজ ও আদা।

বিজ্ঞাপন

গত এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি অন্তত ১০ টাকা বেড়েছে। একই সময়ে আদার দামও কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৯০ টাকায়।

শুক্রবার (১৫ মে) সকালে ঢাকার বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে পেঁয়াজ ও আদার দামে এই উত্থান। বর্তমানে দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা।

বিজ্ঞাপন

তবে বাজারে দেশি রসুনের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় এর দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, পেঁয়াজের দাম কিছুটা বাড়লেও এখনো তা সহনীয় পর্যায়ে আছে। তবে বাড়তি চাহিদার সুযোগ নিয়ে মধ্যস্বত্বভোগীরা দাম বাড়াচ্ছেন। কৃষকের কাছ থেকে পেঁয়াজ এখন বড় ব্যবসায়ীদের গুদামে মজুত হচ্ছে বলেও জানান তারা।

মগবাজার বাজারের খুচরা বিক্রেতা বিদ্যুৎ জানান, পাইকারি বাজারে প্রতিদিনই কেজিপ্রতি ১–২ টাকা করে দাম বাড়ছে, যার প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়ছে।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, ভোক্তাদের অভিযোগ, ঈদকে সামনে রেখে একটি চক্র বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। রমজানের পর এখন কোরবানির ঈদকে ঘিরে দাম বাড়ানো হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।

সবজির বাজারে এখনও স্বস্তি নেই। ৭০–৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। সবচেয়ে কম দামে থাকা পেঁপেও বিক্রি হচ্ছে ৬০–৮০ টাকায়। বেগুনের দাম মানভেদে ৯০–১২০ টাকা। ঢ্যাঁড়স, চিচিঙ্গা, ধুন্দল ও ঝিঙে ৮০–১০০ টাকায় এবং করলা, বরবটি ও কাঁকরোল ১০০–১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

এ অবস্থায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চাপে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। তারা বলছেন, বাজার মনিটরিং জোরদার না হলে ঈদের আগে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

এনামুল হোসেন নামের এক ক্রেতা বলেন, সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে নিয়মিতই দাম বাড়ানো হচ্ছে। কঠোর মনিটরিং থাকলে ব্যবসায়ীরা এভাবে দাম বাড়াতে সাহস পেত না।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD