Logo

রাজধানীর বাজারে কমেনি নিত্যপণ্যের দাম, চাপে ক্রেতারা

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ জুন, ২০২৬, ১২:৪৬
রাজধানীর বাজারে কমেনি নিত্যপণ্যের দাম, চাপে ক্রেতারা
ছবি: সংগৃহীত

সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতি কমেনি। কাঁচাবাজার, মাছ ও মুরগির বাজার—সবখানেই উচ্চমূল্য বহাল থাকায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত ক্রেতারা সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও বাজারে একই চিত্র দেখা গেছে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ সবজির দাম আগের সপ্তাহের মতোই রয়েছে। উত্তরা সমবায় বাজারে ঢেঁড়শ, পটল, ঝিঙা, করলা ও চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং কাঁচকলা প্রতি হালি ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, গাজর ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা এবং শিম ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বিজ্ঞাপন

একজন সবজি বিক্রেতা জানান, পাইকারি বাজারে দাম না কমায় খুচরা পর্যায়েও কম দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।

মুরগির বাজারেও তেমন পরিবর্তন নেই। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা, সোনালি ৩০০ টাকা, লেয়ার ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার করতে আসা এক বেসরকারি চাকরিজীবী বলেন, আগে সপ্তাহে এক-দুদিন মাছ বা ভালো মানের মাংস কেনা যেত। এখন হিসাব করে বাজার করতে হচ্ছে। মুরগির দামও আগের মতো সাশ্রয়ী নেই, ফলে মাসিক বাজেট সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিজ্ঞাপন

তবে গরু ও খাসির মাংসের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসি ও ছাগলের মাংস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও দামের চাপ অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে ইলিশের দাম এখনও অনেক ক্রেতার নাগালের বাইরে। আকারভেদে প্রতি কেজি ইলিশ ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এক মাছ বিক্রেতা বলেন, মৌসুমে সরবরাহ ভালো থাকলেও উচ্চমূল্যের কারণে অনেক ক্রেতাই ইলিশ কিনতে পারছেন না। যারা কিনছেন, তারা তুলনামূলক ছোট আকারের মাছ বেছে নিচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

এদিকে পাঙ্গাস মাছ প্রতি কেজি ২০০ টাকা, বড় রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, মাঝারি রুই ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা, কাতলা ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং শিং মাছ ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ছোট মাছের মধ্যে কাঁচকি প্রতি কেজি ৩০০ টাকা এবং মলা মাছ ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে সামুদ্রিক মাছের দামও তুলনামূলক বেশি। বড় সুরমা ৩০০ টাকা, রুপচাঁদা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, লাল কোরাল ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং বাটা মাছ ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD