বিশ্ববাজারে কমলো সোনার দাম

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় স্বর্ণের দামে পতন হয়েছে। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দাম কমেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) আগামী সপ্তাহের মুদ্রানীতিবিষয়ক বৈঠকের দিকে নজর রাখছেন বিনিয়োগকারীরা। সুদের হারের ভবিষ্যৎ গতিপথ সম্পর্কে ধারণা পেতে বৈঠকের সিদ্ধান্ত ও নীতিনির্ধারকদের বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা।
বিজ্ঞাপন
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) সকাল ৯টা ৯ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১২০ দশমিক ৪৯ ডলারে নেমে আসে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ডিসেম্বর মাসে সরবরাহের জন্য স্বর্ণের ফিউচার মূল্যও ০.৫ শতাংশ কমেছে। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১৩৯ দশমিক ১০ ডলারে।
তেলের দাম বৃদ্ধিতে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা
বিজ্ঞাপন
বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যেতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে পণ্য ও সেবার দামে, বাড়তে পারে মূল্যস্ফীতির চাপ। এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার কমানোর বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিনিয়োগকারীরা।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তা স্বর্ণের বাজারেও প্রভাব ফেলছে। কারণ, স্বর্ণ থেকে সরাসরি সুদ পাওয়া যায় না। ফলে সুদের হার বেশি থাকলে বিনিয়োগকারীদের কাছে সুদবাহী সম্পদের আকর্ষণ বাড়তে পারে, যা স্বর্ণের চাহিদায় চাপ তৈরি করে।
ফেডের বৈঠকের দিকে বিনিয়োগকারীদের নজর
বিজ্ঞাপন
আগামী সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রানীতিবিষয়ক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সেখানে সুদের হার নিয়ে কী সিদ্ধান্ত আসে এবং ভবিষ্যৎ নীতির বিষয়ে কী ইঙ্গিত দেওয়া হয়, তা জানতে অপেক্ষা করছেন বাজারের অংশীজনেরা।
বিশ্লেষকদের মতে, সুদের হার নিয়ে ফেডের অবস্থান স্বর্ণের দামের পরবর্তী গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি, জ্বালানি তেলের বাজার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সিদ্ধান্ত—এই বিষয়গুলোর ওপর নির্ভর করবে স্বর্ণের বাজারে বিনিয়োগকারীদের পরবর্তী পদক্ষেপ।
সূত্র: রয়টার্স








