পুলিশের ওপর হামলা, প্রতিবাদ নাকি নৈতিকতার অবক্ষয়?

ক) এ দেশে সর্বপ্রথম পুলিশ প্রতিষ্ঠা করে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী নিজেদের স্বার্থে। পুলিশ দিয়ে নির্যাতন করাতো নীলচাষে অনাগ্রহী চাষিদেরকে। বৃটিশ সরকার ১৮৫৭ খৃষ্টাব্দে ক্ষমতা গ্রহণের পর পুলিশকে ব্যবহার করেছে সমাজের শান্তি শৃংখলা রক্ষা সহ বিপ্লবীদেরকে শায়েস্তা করতে।
বিজ্ঞাপন
কোর্ট প্রতিষ্ঠা করে অনেককে বিচারের মুখোমুখি করে ফাঁসি দিত এবং অতিমাত্রায় নির্যাতন চালাতো। সেই থেকে পুলিশের প্রতি তৈরী হয় ভীতি ও ঘৃণা। তবুও পুলিশ কাজ করেছে সমাজের শান্তি রক্ষায়। ১৯৪৭ সালে বৃটিশ চাটি বাটি গুছিয়ে চলে গেলেও থেকে যায় পুলিশ, আদালত এবং কারাগার।
খ) পূর্ব পাকিস্তান সরকার পুলিশকে ব্যবহার করেছে সরকাওে বিরনুদ্ধে যে সব আন্দোলন হতো তা দমন করতে। পুলিশকে দিয়ে করিয়েছে নির্যাতর সহ হত্যা। আন্দোলনরত বাঙালি দমনে তৎকালীন সরকারের নির্দেশ পালন করতো পুলিশ। ৫২’র ভাষা আন্দোলনে দমন পীড়ন করা হয়েছে পুলিশকে দিয়ে।
সেই থেকে পুলিশের প্রতি বেড়ে যায় পুলিশের প্রতি ঘৃণা। অনেকের ধারণা ছিল স্বাধীনকা পরবর্তীকালে পুলিশ হবে জনবান্ধব। কিন্তু না তা হয়নি। পুলিশ চলেছে সরকারের হুকুমে। বিরোধীদলের নেতা কর্মীদেও দমনপীড়নে ব্যবহৃত হয়েছে পুলিশ। তবে সত্য বলতে কি পুলিশ না থাকলে সমাজে শান্তি ধ্বংস হয়ে যেত। যার প্রমাণ দেখেছি শেখ হাসিনা হটাও আন্দোলনের পরবর্তীকালে। ৮ দিন পুৃলিশ না থাকায় বেড়ে যায় চুরি ডাকাতি, লুট, রাহাজানি, ছিনতায়, মব জাষ্টিস ইত্যাদি। যে যত অপবাদই দিক না কেন আমি বলবো পুলিশ ছাড়া সমাজ অচল, পুলিশ ছাড়া সমাজে শান্তি এবং নিরাপদ থাকবে না।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ ককনো অপরাধী হয় না পুলিশকে বানানো হয় অপরাধী। যাক এসব কথা। বিগত দুই বছওে পুলিশের অস্তিত্ব, ক্ষমতা এবং কর্ম স্পৃহা যেন নেই বললেই চলে। আন্দোলনের পওে দেখা যাচ্ছে পুলিশের প্রতি তিল পরিমাণ ভয় নেই অসৎ মানুষের। প্রায় প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে পুলিশের প্রতি প্রতিদিনই চলছে হামলা, গাড়ি ভাংচুর। আহত করা হচ্ছেপুলিশকে।
থ্রি হুইলার আটককে কেন্দ্র কওে ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের গাড়ি আটকিয়ে ভাংচুর করে। বগুড়ায় পুলিশের একজন এসআইকে ছুরিকাঘাত কওে মামলার নথি ছিনিয়ে নেয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতা মাহাদি হাসান ফেসবুক লরাইভে এসে গর্ব কওে বলে আমি বানিয়াচং থানা জ্বালিয়েছি, এস আই সন্তোষকে পুড়িয়েছি। অতচ সে নিজেকে বাাঁচাতে থানায় আশ্রয় নেয়।
এতে বোছা যায় পুলিশ ছাড়া আমরা অচল। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কবে আমাদেও পুলিশ রুখে দাঁড়াবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে? কবে পুলিশ ফিওে পাবে হিম্মত এবং স্বাধীনতা? বিগত ১৩/৬/২০২৬ তারিখ ভোওে শের ই বাংলা নগওে ছিনতাইকারীর ছুরির আঘাতে আহত হয়েছেন এস আই সামসুজ্জোহা এবং মোহাম্মদ হৃদয় হোসেন। ছিনতাইকারীর ছুরির আঘাতে ইক সময় নিহত হন সার্জেন্ট আহাদ।
বিজ্ঞাপন








