দাঁত হারালে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!

স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত সেই দাঁত আর প্রাকৃতিকভাবে ফিরে আসে না। তখন ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের সাহায্য নিতে হয়। তবে ভবিষ্যতে দাঁত হারানোর চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। জাপানের একদল গবেষক এমন একটি পরীক্ষামূলক ওষুধ নিয়ে কাজ করছেন, যা মানুষের শরীরে নতুন দাঁত গজাতে সহায়তা করতে পারে।
বিজ্ঞাপন
এর আগে প্রাণীর ওপর পরিচালিত গবেষণায় ইউএসএজি-১ প্রোটিনের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করে নতুন দাঁত গজানোর সম্ভাবনাময় ফল পাওয়া যায়। ওই গবেষণার ফলের ভিত্তিতেই মানুষের শরীরে একই পদ্ধতি কতটা কার্যকর হতে পারে, তা যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
ওষুধটির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা যাচাস্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত সেই দাঁত আর প্রাকৃতিকভাবে ফিরে আসে না। তখন ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের সাহায্য নিতে হয়। তবে ভবিষ্যতে দাঁত হারানোর চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। জাপানের একদল গবেষক এমন একটি পরীক্ষামূলক ওষুধ নিয়ে কাজ করছেন, যা মানুষের শরীরে নতুন দাঁত গজাতে সহায়তা করতে পারে।
ই করতে মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ বা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষায় সাধারণত ওষুধটি কতটা নিরাপদ, শরীর তা কতটা সহ্য করতে পারে এবং কী ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, সেসব বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হয়।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
তবে মানুষের হারানো দাঁত নতুন করে গজানোর ক্ষেত্রে ওষুধটি কতটা কার্যকর হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরও গবেষণা এবং পরবর্তী ধাপের পরীক্ষার ফল প্রয়োজন।
গবেষকদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো, এই চিকিৎসাপদ্ধতিকে ভবিষ্যতে মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে চিকিৎসাটি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সম্ভব হবে কি না, সেটি নির্ভর করবে পরীক্ষার ফলাফল, ওষুধটির নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের ওপর।
বিজ্ঞাপন
গবেষণাটি সফল হলে দাঁতের চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। বিশেষ করে জন্মগতভাবে দাঁতের ঘাটতি রয়েছে কিংবা বিভিন্ন কারণে দাঁত হারিয়েছেন, এমন মানুষের জন্য চিকিৎসাটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
তবে এখনই দাঁত পড়ে গেলে ওষুধ খেয়ে নতুন দাঁত গজানো সম্ভব—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। ওষুধটি এখনো গবেষণাধীন। এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পরই দাঁত হারানোর চিকিৎসায় এর ব্যবহার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে।








