এবার বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল উত্তর ইসরায়েল

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ক্রমেই ভয়াবহ পরিণতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্মিলিত আগাম হামলার জবাবে ইরান ব্যাপক পাল্টা হামলা আক্রমণ শুরু করেছে।
বিজ্ঞাপন
তেহরানের পক্ষ থেকে একঝাঁক ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে। এর ফলে ইসরায়েলের উত্তর ও মধ্যঞ্চলীয় জেলাগুলোতে মুহুর্মুহু সাইরেন বেজে ওঠে এবং উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ইরানের এই পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আক্ষরিক অর্থেই হিমশিম খাচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ইরান থেকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করতে তাদের ‘অ্যারো’ এবং ‘ডেভিডস স্লিং’-এর মতো শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো পূর্ণ শক্তিতে কাজ করছে। তবে উত্তর ইসরায়েলে যে বিস্ফোরণগুলো শোনা গেছে, সেগুলো ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি আঘাত নাকি আকাশেই ধ্বংস করার ফলে সৃষ্ট শব্দ, তা নিয়ে এখনো অস্পষ্টতা রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, উত্তর ইসরায়েলের আকাশে আগুনের লেলিহান শিখা ও ধোঁয়া দেখা গেছে। আইডিএফের পক্ষ থেকে সাধারণ নাগরিকদের অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়স্থল বা বোমা শেল্টারে আশ্রয় নেওয়ার জন্য কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ইরান ভয়ংকর প্রতিশোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে
বিজ্ঞাপন
এর আগে ইসরায়েলের হামলার পরপরই বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ইরানের এক কর্মকর্তা জানান, তাদের এবারের জবাব হবে বিধ্বংসী।
এদিকে হামলার সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়িকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনেয়ি তেহরানে ছিলেন না এবং তার অবস্থান স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি, তবে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।








