ইরানেই থাকবে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম, নির্দেশ মোজতবা খামেনির

ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানো হবে না বলে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি। বৃহস্পতিবার (২১ মে) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রতিবেদনে ইরানের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়, সুপ্রিম লিডার স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন— দেশের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে স্থানান্তর করা যাবে না। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনায় আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে তেহরান।
বিশ্লেষকদের মতে, এ সিদ্ধান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য নতুন অস্বস্তির কারণ হতে পারে। একই সঙ্গে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা নিরসনের প্রচেষ্টাও আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প তাদের আশ্বস্ত করেছিলেন— ইরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হলে সেখানে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে ইরানের নতুন অবস্থানের কারণে ওই সম্ভাবনা এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে ইরানের কাছে প্রায় ৪০০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে, যা দিয়ে একাধিক পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব।
এর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছিলেন, ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত অপসারণ, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা বন্ধ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত না হওয়া পর্যন্ত সংঘাত বন্ধ হবে না।
বিজ্ঞাপন
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করছে ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো হলে দেশটি আরও বড় নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ইরানের গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সুপ্রিম লিডারই দিয়ে থাকেন।








