Logo

ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য, ‘সব ধরনের আগ্রাসনের’ নিন্দা

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৬:৩৫
ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য, ‘সব ধরনের আগ্রাসনের’ নিন্দা
ছবি: সংগৃহীত

নয়াদিল্লিতে শুরু হতে যাওয়া ব্রিকস সম্মেলনের যৌথ ঘোষণা নিয়ে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ না করে ঘোষণায় ‘সব ধরনের আগ্রাসনের’ নিন্দা জানানো হবে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় ‘ব্রিকস নয়াদিল্লি ঘোষণা’ প্রকাশ করার কথা রয়েছে। ভারতের সভাপতিত্বে আয়োজিত এবারের সম্মেলন শনিবার বেলা আড়াইটায় শুরু হয়ে রবিবার পর্যন্ত চলবে।

পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে সদস্য দেশগুলোর অবস্থান নিয়ে আলোচনা হচ্ছে এবারের সম্মেলনে। সংঘাত অবসানে সংলাপ ও কূটনীতিকেই একমাত্র পথ হিসেবে তুলে ধরা হবে ঘোষণায় বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। সব সদস্য দেশকে একটি যৌথ ঘোষণায় একমত করাতে পারাকে ভারতের কূটনীতি এবং ব্রিকসের শেরপাদের বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ভারতের ঘনিষ্ঠ দুই মিত্র ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতপার্থক্যই আগে যৌথ ঘোষণা আটকে থাকার প্রধান কারণ ছিল। চলতি বছরের মে মাসে নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকেও ইরান ও ইউএইর মতবিরোধের কারণে যৌথ ঘোষণা দেওয়া সম্ভব হয়নি। কিন্তু এবার সদস্য দেশগুলোকে রাজি করাতে পারাকে ভারতের কূটনৈতিক সক্ষমতার বড় উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে জড়ো হচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ অন্যান্য নেতারা। শনিবার সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন শি জিনপিং। সাত বছর পর এটি তার প্রথম ভারত সফর। সম্মেলনের ফাঁকে আজ সন্ধ্যায় শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন মোদী।

এর আগে শুক্রবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন মোদী। দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে পেজেশকিয়ানের সঙ্গে এটি ছিল তার দ্বিতীয় বৈঠক। আলোচনায় ভারত-ইরান সম্পর্কের পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক পরিস্থিতিও গুরুত্ব পায়।

পশ্চিম এশিয়া সংকটের স্থায়ী সমাধানে সংলাপ ও কূটনীতির ওপর জোর দিয়ে আসছে ভারত। একই সঙ্গে জ্বালানি নিরাপত্তাকে গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ হিসেবে তুলে ধরে সরবরাহবাহী জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

বিজ্ঞাপন

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD