ভারত সফরের ভিডিওতে শাহরুখের গান জুড়ে দিলেন আনোয়ার ইব্রাহিম

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের ‘সং ডিপ্লোম্যাসি’ আবারও আলোচনায় এসেছে। নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন শেষে ভারত সফরের বিভিন্ন মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরতে জনপ্রিয় বলিউডের গান ব্যবহার করেছেন তিনি। তাঁর পোস্টগুলোতে কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক আবহও নজর কেড়েছে।
বিজ্ঞাপন
ভারত মণ্ডপমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বাগত জানানোর একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেন আনোয়ার। সেখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে ব্যবহার করেন শাহরুখ খান ও কাজল অভিনীত ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সানাম’।
মোদির সঙ্গে অন্য একটি মুহূর্তের ছবির সঙ্গে তিনি ব্যবহার করেন ‘দিল তো পাগল হ্যায়’ সিনেমার একই নামের গান। ব্রিকস সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময়কার ছবিগুলোর সঙ্গে যুক্ত করেন ২০০০ সালের সিনেমা ‘হর দিল জো পেয়ার করেগা’র টাইটেল গান।
ভারত থেকে বিদায়ের ভিডিওতেও বলিউডের গান বেছে নেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ‘লক্ষ্য’ সিনেমার ‘কান্ধোঁ সে মিলতে হ্যায় কান্ধে’ গানটি ব্যবহার করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এর আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর নিয়েও একই ধরনের ‘সং ডিপ্লোম্যাসি’ দেখা গিয়েছিল। গত ২৩ জুন নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘আমার বন্ধু মহাজাদু জানে’ শিরোনামে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন আনোয়ার। দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের বিভিন্ন মুহূর্ত নিয়ে তৈরি ওই ভিডিওতে হাবিব ওয়াহিদ ও মেহরনিগরি রুস্তামের গাওয়া ‘মহাজাদু’ গানটি যুক্ত করা হয়।
ভারত সফরে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন আনোয়ার ইব্রাহিম। বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে ভোজের ছবি প্রকাশের সময় তিনি ‘ভীর-জারা’ সিনেমার ‘আইসা দেশ হ্যায় মেরা’ গানটি ব্যবহার করেন।
বিজ্ঞাপন
ইরানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পোস্টেও ছিল ভিন্ন বার্তা। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাতের ছবিতে ১৯৫৭ সালের ‘নয়া দৌর’ সিনেমার ‘সাথী হাত বাড়ানা’ গানটি যুক্ত করেন আনোয়ার। হাতে হাত মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দেওয়া এই গানকে সেখানে ঐক্য ও সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে নিজের ছবির সঙ্গেও বলিউডের গান ব্যবহার করেন তিনি। ২০০১ সালের ‘লগান’ সিনেমার ‘চালে চালো’ গানটি বেছে নেন আনোয়ার, যার কথায় একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা রয়েছে।
কূটনৈতিক যোগাযোগে সংগীত ব্যবহারের এই প্রবণতা অবশ্য শুধু আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুগিয়োনোও প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তোর সফর ঘিরে ‘দিল ধড়কনে দো’ সিনেমার বলিউড গান ব্যবহার করেছেন।








