অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে যথাসময়ে ভোট হবে: প্রেস সচিব

নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কার অবকাশ নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, আসন্ন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে এবং নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচন আয়োজনের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার শাহপীর কেল্লা শহীদ (রাহ.)-এর মাজার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রেস সচিব বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সরকার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপত্তা বাহিনীর প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তাদের কার্যক্রমও সম্পন্ন হয়েছে। আমরা এখন শুধু নির্বাচনের সময়ের জন্য অপেক্ষা করছি।”
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও জানান, পোস্টাল ব্যালটের কার্যক্রমও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করা হয়েছে।
সরকারের ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ শফিকুল আলম বলেন, গণভোট যেসব দেশে হয়েছে, সেসব দেশের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়—সরকার একটি নীতিগত অবস্থান নেয়। “আমরা সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছি। কারণ এই সংস্কারের মাধ্যমেই দেশের অপশাসন দূর হবে এবং স্বৈরাচার যেন আর ফিরে আসতে না পারে, সে পথ নিশ্চিত করা যাবে।”
তিনি বলেন, সংস্কারের যে বিষয়গুলো নির্ধারণ করা হয়েছে, সেগুলোকে একটি প্যাকেজ আকারে গণভোটে উপস্থাপন করা হচ্ছে। সরকার জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে দেশের মানুষের অধিকার কেউ কেড়ে নিতে না পারে এবং অপশাসনের পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
বিজ্ঞাপন
এর আগে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম সড়কপথে ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌঁছান। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সার্কিট হাউস হয়ে আখাউড়া উপজেলার শাহপীর কেল্লা শহীদ (রাহ.)-এর মাজার শরীফ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন মাহমুদ, কসবা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নাজমুস সাকিব, আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলাম, খরমপুর মাজার শরীফ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বিজ্ঞাপন
পরিদর্শন শেষে তিনি মাজার শরীফ প্রাঙ্গণে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ রোপণ করেন।








