বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা আজ

মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে শ্বেতশুভ্রবসনা বিদ্যা ও জ্ঞানের দেবী সরস্বতীর চরণে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব সরস্বতীপূজা।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের পূজামণ্ডপগুলো ঢাক-ঢোল-কাঁসর, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠেছে। কল্যাণময়ী বিদ্যাদেবীর আশীর্বাদ কামনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মন্দির ও পূজামণ্ডপগুলোতে ভিড় করছেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও ভক্তরা।
সরস্বতী জ্ঞান ও বিদ্যার দেবী হিসেবে পরিচিত। সরস্বতী দেবী শ্বেতশুভ্রবসনা। দেবীর এক হাতে বেদ, অন্য হাতে বীণা। এ জন্য তাকে বীণাপাণিও বলা হয়।
বিজ্ঞাপন
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ দেবী সরস্বতীর বন্দনায় ঢাক-ঢোল-কাঁসর, শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠবে। শাস্ত্রমতে, প্রতিবছর মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে কল্যাণময়ী বিদ্যাদেবীর বন্দনা করা হয়।
সরস্বতীপূজা উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বাণীতে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
বিজ্ঞাপন
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। হাজার বছর ধরে এ দেশে জাতি, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করে আসছেন। এ দেশ আমাদের সবার। ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়—বাংলাদেশ সব মানুষের জন্য একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি।”
সরস্বতীপূজাকে ঘিরে দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।







