১২ ফেব্রুয়ারির আগে শেরপুর-৩ আসনে নতুন তফসিলের সুযোগ নেই: ইসি

শেরপুর-৩ আসনের সংসদীয় নির্বাচন বাতিল করা হলেও আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির আগে সেখানে নতুন করে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার কোনো আইনি সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের আগে পুনরায় ভোটের সূচি ঘোষণা করা সম্ভব নয়।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আবদুর রহমান মাছউদ।
তিনি বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১৭ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে। তবে একই আইনের আওতায় ১২ ফেব্রুয়ারির আগে নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কোনো সুযোগ নেই।
আরও পড়ুন: আজ বিশ্ব ক্যানসার দিবস
বিজ্ঞাপন
নির্বাচনী আচরণবিধি বাস্তবায়নের বিষয়ে ইসি মাছউদ বলেন, বর্তমানে সারা দেশে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে কাজ করছেন। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় যে কেউ সরাসরি ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির কাছে অভিযোগ জানাতে পারবেন।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা যদি আইন লঙ্ঘন করেন অথবা কোনো প্রার্থীর পক্ষে পক্ষপাতমূলক আচরণ করেন, সেক্ষেত্রেও তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটিতে অভিযোগ দাখিল করা যাবে। অভিযোগ গুরুতর হলে নির্বাচন কমিশন সরাসরি ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।
দেশের সামগ্রিক নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচন ঘিরে পরিবেশ মোটামুটি অনুকূল রয়েছে। এ পরিস্থিতি বজায় রাখতে দেশের সব রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা আমাদের সহযোগিতা করবেন।
বিজ্ঞাপন
সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা-১৭ আসনের এক প্রার্থীর সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অপেশাদার আচরণের অভিযোগ প্রসঙ্গে কড়া অবস্থানের কথা জানান ইসি মাছউদ।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাহিনীর মনোবল ক্ষুণ্ণ হয়—এমন কোনো আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিজ্ঞাপন
নির্বাচন কমিশনের এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট করা হলো, আইনি কাঠামোর বাইরে গিয়ে কোনো আসনে নির্বাচন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করা হবে।








