২ লাখ ১০ হাজার টন সার কিনছে সরকার

দেশের কৃষিখাতে চাহিদা মেটাতে বিদেশ ও দেশীয় উৎস থেকে বড় পরিসরে সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মরক্কো, সৌদি আরব এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে মোট ২ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন সার সংগ্রহ করা হবে। এ বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৩৭০ কোটি ৯১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৭৫ টাকা।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একাধিক প্রস্তাব অনুমোদন পায়।
ক্রয় পরিকল্পনার আওতায় রয়েছে ৮০ হাজার টন ডিএপি, ৭০ হাজার টন ইউরিয়া এবং ৬০ হাজার টন টিএসপি সার। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানি করা হবে। এ খাতে ব্যয় হবে ৩১৯ কোটি ৫১ লাখ ৮ হাজার টাকা, প্রতি টনের দাম ৬৫১ মার্কিন ডলার।
বিজ্ঞাপন
এ ছাড়া মরক্কো থেকেই ৩০ হাজার টন করে দুই লটে মোট ৬০ হাজার টন টিএসপি সার কেনা হবে। প্রতিটি লটের জন্য ব্যয় হবে ১৮৪ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩০ টাকা, প্রতি টনের মূল্য ৫০১ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার।
সৌদি আরবের মা’আদেন কোম্পানির সঙ্গে রাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২৩ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। প্রতি টনের দাম পড়বে ৬৬০ মার্কিন ডলার।
অন্যদিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিনেটস কোম্পানি থেকে ৪০ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানি করা হবে। এতে ব্যয় হবে ২০৫ কোটি ৩১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৪০ টাকা, প্রতি টনের দাম ৪১৮ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার।
বিজ্ঞাপন
দেশীয় উৎস থেকে সংগ্রহের অংশ হিসেবে কাফকোর কাছ থেকে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনা হবে। এ জন্য ব্যয় হবে ১৫৩ কোটি ৮ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৫ টাকা। প্রতি টনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪১৫ দশমিক ৮৭৫ মার্কিন ডলার।
সরকারি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সময়মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই বৃহৎ ক্রয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।








