নবনির্বাচিত সংসদ ও নতুন সরকারকে বরণে প্রস্তুত হচ্ছে সংসদ ভবন

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ ও নতুন সরকারের অভিষেক উপলক্ষে জাতীয় সংসদ ভবনকে সাজানো হচ্ছে নতুন রূপে। দক্ষিণ প্লাজাকে কেন্দ্র করে শপথ অনুষ্ঠান ও সংসদীয় কার্যক্রমের সব ধরনের প্রস্তুতি জোরেশোরে এগিয়ে চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আগামী মঙ্গলবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে বিকেলে একই স্থানে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভাও শপথ নেবে। সরকারের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন সরকারের নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান।
সংসদ ভবন সূত্র জানায়, শপথ অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে ভবনের অভ্যন্তরীণ অংশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ধোয়া-মোছার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। সংসদ সদস্যদের জন্য নির্ধারিত কক্ষগুলো নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে। পাশাপাশি গণঅভ্যুত্থানের সময় ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলোর মেরামত কাজও চলমান রয়েছে। নির্বাচনের দুই দিন পর শনিবার থেকেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংসদ সচিবালয় যৌথভাবে শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন শুরু করে।
বিজ্ঞাপন
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা গণমাধ্যমকে জানান, মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্যদের এবং বিকেলে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে দক্ষিণ প্লাজায়।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকেল ৪টায় একই স্থানে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ নেবে।
এদিকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের প্রস্তুতি এখনো সম্পন্ন হয়নি। ফলে আপাতত তিনি সেখানে উঠতে পারছেন না।
বিজ্ঞাপন
শপথ আয়োজনের মধ্যেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব আব্দুর রশীদকে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়, যা প্রশাসনিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
আরও পড়ুন: নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ সোমবার
সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বঙ্গভবনের নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিতে বলা হলে দ্রুত তা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা হয়। এর আগেই সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল।
বিজ্ঞাপন
সংবিধান অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। শুক্রবার রাতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭টির ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয় পেয়ে সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। তাদের এক সময়ের মিত্র জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট পেয়েছে ৭৭টি আসন, যারা বিরোধী দলের ভূমিকায় বসছে। বাকি আসনগুলোতে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।








