তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি, অংশীদারিত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার। অভিনন্দন বার্তায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
বিজ্ঞাপন
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য শুভেচ্ছা ও সফলতা কামনা করেন। চিঠি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠিতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি মানবিক সহায়তা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জলবায়ু কর্মকাণ্ড, অভিবাসন ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিষয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের প্রতিশ্রুতি স্পষ্ট করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক রয়েছে। আমি আশাবাদী যে, আপনার নেতৃত্বে আমাদের সহযোগিতা কেবল আমাদের অভিন্ন মূল্যবোধ ও সমৃদ্ধ ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠবে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশ। তারা আশা প্রকাশ করেছে যে, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ হবে। আমাদের অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য আমি উন্মুখ। অগ্রগতি ভাগ করে নেওয়া আমাদের অগ্রাধিকার।
বিজ্ঞাপন
সেখানে আরও বলা হয়েছে, অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলা, এর প্রভাবের বিরুদ্ধে লড়াই, জলবায়ু পরিবর্তন ও দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করা হবে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বাংলাদেশের মানবিক আচরণের প্রশংসা করেছেন এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, যুক্তরাজ্য তাদের মানবিক ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
শেষে কিয়ার স্টারমার চিঠিতে আশ্বাস দিয়েছেন যে, দুই দেশের সম্পর্কের ‘পরবর্তী অধ্যায়’ সফল ও সমৃদ্ধ হবে, যা উভয় দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি লাভজনক ফল বয়ে আনবে।








