জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

নিউইয়র্কে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে ‘জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন’-এর উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার স্থানীয় একটি হোটেলে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি প্রধান বক্তৃতায় বলেন, ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের পর থেকে বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতাকে তার পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করে আসছে।
আরও পড়ুন: স্পিকারের স্ত্রী দিলারা হাফিজ মারা গেছেন
আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি অব্যাহত মানবিক সহায়তার বিষয়ে আলোকপাত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গঠনমূলক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি সাধন করেছে।
বিজ্ঞাপন
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, ২৬ মার্চ কেবল একটি জাতির জন্মলগ্নই নয়, বরং এদিনটি বাঙালি জাতির অদম্য ইচ্ছাশক্তি, মর্যাদা ও স্বাধীনতার চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এই ধরনের অনুষ্ঠান নিয়মিতভাবে আয়োজন করে দেশের স্বাধীনতা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরছে।
বিজ্ঞাপন








