টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মিরপুরে নাটকীয় টেস্ট জয়ে পাকিস্তানকে পরাজিত করায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোমাঞ্চে ভরা ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ১০৪ রানের জয় তুলে নেয় টাইগাররা। এই জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে এগিয়ে গেল স্বাগতিক বাংলাদেশ।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১২ মে) শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচের পঞ্চম দিনে শেষ সেশনে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ৫ উইকেট শিকার করে দলের জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন তিনি। তার আগুনঝরা বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি পাকিস্তানি ব্যাটাররা।
ম্যাচ শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, দেশের ক্রিকেটাররা অসাধারণ লড়াই ও আত্মবিশ্বাসের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই জয়ের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ আরও সাফল্য অর্জন করবে।
বিজ্ঞাপন
ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে দায়িত্বশীল পারফরম্যান্সে বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে স্বাগতিকরা। জবাবে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ৩৮৬ রানে অলআউট হলে ২৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড পায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে আবারও ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে টাইগাররা। ফলে পাকিস্তানের সামনে জয়ের জন্য ২৬৭ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায়। তবে চতুর্থ ইনিংসে চাপ সামলাতে ব্যর্থ হয় সফরকারীরা। বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণে মাত্র ১৬৩ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস।
এই জয়ের মাধ্যমে নতুন এক কীর্তি গড়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা তৃতীয় টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল টাইগাররা। এর আগে পাকিস্তানের মাটিতে অনুষ্ঠিত দুই টেস্টেও জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এবার নিজেদের মাঠে সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখল শান্ত-লিটনের দল।
বিজ্ঞাপন
বিশেষ করে তরুণ পেসার নাহিদ রানার পারফরম্যান্স নিয়ে ক্রিকেটাঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ম্যাচের শেষ বিকেলে তার গতিময় বোলিং ও ধারাবাহিক আক্রমণাত্মক লাইন পাকিস্তানের ব্যাটিংকে পুরোপুরি ভেঙে দেয়। একই সঙ্গে দলের অন্যান্য বোলাররাও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সমর্থন দিয়ে জয় নিশ্চিত করেন।
এই জয়ের ফলে সিরিজে আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ দল। আগামী ১৬ মে সিলেটে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচ। সেখানে জয় বা ড্র করলেই সিরিজ নিজেদের করে নেবে টাইগাররা।
বিজ্ঞাপন
ক্রিকেটপ্রেমীদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে ধারাবাহিক উন্নতির আরেকটি বড় উদাহরণ এই জয়। দেশের মাঠে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারিয়ে নতুন করে আত্মবিশ্বাস পেয়েছে পুরো দল। এতে ভবিষ্যতে দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে বাংলাদেশের সম্ভাবনাও আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।








