শিক্ষার্থীরা কতটুকু শিখছে সেটাই হবে সফলতার মূল সূচক: ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যেখানে শিক্ষার্থীরা সত্যিকার অর্থে শিখতে পারে। তার মতে, শিক্ষার্থীরা কতটুকু শিখছে সেটাই হবে সফলতার মূল সূচক।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (১৭ মে) ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)) আয়োজিত প্রাথমিক স্তরে বাংলা ভাষার দক্ষতা উন্নয়ন পাইলটিং কার্যক্রম: বেইজলাইন রিপোর্ট শেয়ারিং শীর্ষক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে হলে সবার আগে কারিকুলাম সঠিকভাবে ডিজাইন করতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষায় “আর্লি লার্নিং” বা বয়সভিত্তিক বিজ্ঞানসম্মত শেখার পদ্ধতির ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত ভাষা শিক্ষা ও মৌলিক গণিত দক্ষতা অর্জন। শুনে বোঝা, বলে বোঝানো, পড়ে বোঝা এবং লিখে বোঝানো—এই চারটি দক্ষতার ভিত্তিতেই ধাপে ধাপে শিক্ষার্থীদের শেখাতে হবে।
ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, বর্তমান পাঠ্যবইয়ের আকার ও উপস্থাপনা শিশুদের উপযোগী নয়। বড় আকারের বই শিশুদের শেখার আগ্রহ কমিয়ে দেয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি ছোট ছোট অধ্যায়ভিত্তিক বই, আনন্দমুখর শেখার পরিবেশ, এবং প্রাথমিক পর্যায়ে খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চাকে অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন।
বিজ্ঞাপন
প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী দুই বছরের মধ্যে নতুন প্রাথমিক কারিকুলাম ডিজাইন ও পাইলটিং সম্পন্ন করে ২০২৮ সালের মধ্যে দেশব্যাপী বাস্তবায়নের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: কয়রায় ঘরে ঢুকে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা
নতুন কারিকুলামে ভাষা শিক্ষা, গণিত, সিভিক এডুকেশন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলেও তিনি জানান। একই সঙ্গে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, পাঠ্যবই প্রণয়ন এবং বিদ্যালয়ের অবকাঠামোও পুনর্বিন্যাস করা হবে।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিটি কার্যক্রমের মূল মাপকাঠি হবে শিক্ষার্থীদের শেখার ফলাফল (লার্নিং আউটকাম)।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ফরিদ আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহীনা ফেরদৌসী, দেবব্রত চক্রবর্তী এবং মোঃ আরিফুল ইসলামসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।








